সশস্ত্র ড্রোন ভূপাতিত ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করল ইরান
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, রাজধানী তেহরান ও কারাজের আকাশসীমায় দুটি সশস্ত্র ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং কাজভিন প্রদেশে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে তাসনিম নিউজ। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানায়, বুধবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে তেহরানের আকাশে একটি ‘অরবিটার’ ইউএভি শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। এছাড়া কারাজের নাজারাবাদ এলাকার আকাশে একটি উন্নত ‘হেরন’ ড্রোনও গুলি করে নামানো হয়েছে বলে জানানো হয়। সংস্থাটি দাবি করেছে, দুটি ড্রোনই সশস্ত্র ছিল এবং ইরানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালানোর আগেই সেগুলো ধ্বংস করা হয়। আইআরজিসি আরও জানায়, তাদের আধুনিক সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজভিন প্রদেশের কুহিন এলাকায় একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অধীনে পরিচালিত হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, রাজধানী তেহরান ও কারাজের আকাশসীমায় দুটি সশস্ত্র ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং কাজভিন প্রদেশে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে তাসনিম নিউজ।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানায়, বুধবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে তেহরানের আকাশে একটি ‘অরবিটার’ ইউএভি শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া কারাজের নাজারাবাদ এলাকার আকাশে একটি উন্নত ‘হেরন’ ড্রোনও গুলি করে নামানো হয়েছে বলে জানানো হয়। সংস্থাটি দাবি করেছে, দুটি ড্রোনই সশস্ত্র ছিল এবং ইরানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালানোর আগেই সেগুলো ধ্বংস করা হয়।
আইআরজিসি আরও জানায়, তাদের আধুনিক সমন্বিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজভিন প্রদেশের কুহিন এলাকায় একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অধীনে পরিচালিত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অভিযোগ তোলে তেহরান।
এর পর থেকে দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
What's Your Reaction?