‘সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নতুন প্রজন্মের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন’

বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, বরিশাল আইনজীবী সমিতি ও বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। এসময় তার পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে তার বাসভবনে যান তিনি।  রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু ছিলেন বরিশালের সাংবাদিকতা ও আইন অঙ্গনের একজন অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্ব। তিনি সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে দীর্ঘদিন সমাজের জন্য কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যু বরিশালের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে সাংবাদিকতা ও আইন পেশায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা এবং আইন পেশার মর্যাদা রক্ষায় মরহুম মন্টুর অবদান আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন।’ এর আগে শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু শেষ নিশ্বাস ত্যাগ

‘সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নতুন প্রজন্মের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন’

বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি, বরিশাল আইনজীবী সমিতি ও বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। এসময় তার পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিতে তার বাসভবনে যান তিনি। 

রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু ছিলেন বরিশালের সাংবাদিকতা ও আইন অঙ্গনের একজন অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্ব। তিনি সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে দীর্ঘদিন সমাজের জন্য কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যু বরিশালের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে সাংবাদিকতা ও আইন পেশায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা এবং আইন পেশার মর্যাদা রক্ষায় মরহুম মন্টুর অবদান আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন।’

এর আগে শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অ্যাডভোকেট ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow