সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ : সেই ভূমি কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভূমি অফিসে সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মো. শামসুদ্দোহাকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করা হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার। তিনি জানান, শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে এক আদেশের মাধ্যমে তাকে নবীনগর থেকে নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে নবীনগর সদর ভূমি অফিসে জমি খারিজের (মিউটেশন) জন্য ঘুষ দাবির অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যান তিন সাংবাদিক। তারা হলেন, বাংলা টিভির প্রতিনিধি পিয়াল হাসান রিয়াজ, গ্রিন টিভির প্রতিনিধি মমিনুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি মো. অলিউল্লাহ। তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে নায়েব মো. শামসুদ্দোহার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা এবং অফিস সহায়ক হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের গালিগালাজ করে অফিসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ওই তিন সাংবাদিকসহ ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরবর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভূমি অফিসে সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় অভিযুক্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মো. শামসুদ্দোহাকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করা হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার।
তিনি জানান, শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে এক আদেশের মাধ্যমে তাকে নবীনগর থেকে নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে নবীনগর সদর ভূমি অফিসে জমি খারিজের (মিউটেশন) জন্য ঘুষ দাবির অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে যান তিন সাংবাদিক। তারা হলেন, বাংলা টিভির প্রতিনিধি পিয়াল হাসান রিয়াজ, গ্রিন টিভির প্রতিনিধি মমিনুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি মো. অলিউল্লাহ।
তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে নায়েব মো. শামসুদ্দোহার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা এবং অফিস সহায়ক হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের গালিগালাজ করে অফিসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ওই তিন সাংবাদিকসহ ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানের হস্তক্ষেপে তারা মুক্ত হন।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে জেলা প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত শামসুদ্দোহাকে তাৎক্ষণিক স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। তবে এ ঘটনায় জড়িত অফিস সহকারীর বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের খবর পাওয়া যায়নি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার জানান, সরকারি অফিসে সেবা নিতে আসা মানুষ কিংবা সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অপেশাদার আচরণের কোনো সুযোগ নেই। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
What's Your Reaction?