সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার দাবি ডুজার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য (ভিসি) বরাবর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে ঢাবি সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপাচার্য অফিস সংলগ্ন আব্দুল মতিন ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে অভিযোগপত্র জমা দেন তারা। অভিযোগপত্রে মোট ১২ জন হামলাকারীর নাম, বিভাগ, শিক্ষাবর্ষ, আবাসিক হল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা হয়েছিল। আজ শুক্রবার বিকেলের মধ্যে হামলাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের আলটিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। সাংবাদিক সমিতির দাবিগুলো হলো: ১. হামলায় জড়িত শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার নিশ্চিত করতে হবে। ২. যেসব হামলাকারীর ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে (স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন) তদন্তসাপেক্ষে তাদের সনদপত্র বাতিল করতে হবে। ৩. উল্লিখিতদের বাইরে হামলায় আরও বেশ কয়েকজন জড়িত ছিল। তাদের পরিচয় শনাক্ত করে তাদেরও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব

সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার দাবি ডুজার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী ছাত্রদল নেতাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য (ভিসি) বরাবর অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে ঢাবি সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপাচার্য অফিস সংলগ্ন আব্দুল মতিন ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে অভিযোগপত্র জমা দেন তারা। অভিযোগপত্রে মোট ১২ জন হামলাকারীর নাম, বিভাগ, শিক্ষাবর্ষ, আবাসিক হল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করা হয়েছিল। আজ শুক্রবার বিকেলের মধ্যে হামলাকারীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের আলটিমেটাম দেন সাংবাদিকরা।

সাংবাদিক সমিতির দাবিগুলো হলো:

১. হামলায় জড়িত শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার নিশ্চিত করতে হবে।

২. যেসব হামলাকারীর ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে (স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন) তদন্তসাপেক্ষে তাদের সনদপত্র বাতিল করতে হবে।

৩. উল্লিখিতদের বাইরে হামলায় আরও বেশ কয়েকজন জড়িত ছিল। তাদের পরিচয় শনাক্ত করে তাদেরও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমি এই ঘটনার জন্য আপনাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। তাৎক্ষণিকভাবে দুইটা কমিটি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবো।

এফএআর/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow