সাইপ্রাসে অভিবাসী ফেরতে শীর্ষে ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ

ইউরোপীয় দেশ সাইপ্রাস থেকে অভিবাসী ফেরত পাঠানোর হার সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটি এখন অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে এক ধরনের ‘রেকর্ড’ গড়েছে, যেখানে শীর্ষ তালিকায় রয়েছে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সাইপ্রাস সরকার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের শনাক্ত করে দ্রুত তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো—ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিকদের সংখ্যাই বেশি। দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অনিয়মিত অভিবাসীদের আটক করছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এই পদক্ষেপ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক অভিবাসী কাজের আশায় সাইপ্রাসে যান। তবে বৈধ কাগজপত্র না থাকলে বা আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হলে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, দালাল বা মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করলে এমন ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা বেশি। অনেকে ব

সাইপ্রাসে অভিবাসী ফেরতে শীর্ষে ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ

ইউরোপীয় দেশ সাইপ্রাস থেকে অভিবাসী ফেরত পাঠানোর হার সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটি এখন অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে এক ধরনের ‘রেকর্ড’ গড়েছে, যেখানে শীর্ষ তালিকায় রয়েছে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সাইপ্রাস সরকার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের শনাক্ত করে দ্রুত তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো—ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিকদের সংখ্যাই বেশি।

দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অনিয়মিত অভিবাসীদের আটক করছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এই পদক্ষেপ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক অভিবাসী কাজের আশায় সাইপ্রাসে যান। তবে বৈধ কাগজপত্র না থাকলে বা আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হলে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, দালাল বা মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করলে এমন ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা বেশি। অনেকে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও শেষ পর্যন্ত দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হচ্ছেন।

সাইপ্রাসে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ কঠোর হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার অভিবাসীদের ওপর এর বড় প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকদের মধ্যে ফেরত পাঠানোর হার বেশি হওয়ায় বিষয়টি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow