সাকিবের ফাইল যাচ্ছে সরকারের কাছে, তাহলে কি ফিরছেন তিনি?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ সময় বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগে সাকিবকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করায় তার দলে ফেরার সম্ভাবনা নতুন করে তৈরি হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিসিবি সাকিবকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পৌঁছাবেন সাকিব। এমনটি ঘটলে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে তাকে খেলা দেখার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। তবে চলতি মাসে তার দেশে ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই। তবুও সাকিবকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া থেমে নেই। বিসিবির পরিচালক আসিফ আকবর সর্বশেষ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক টকশোতে জানান, “সাকিবের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ থাকে। সর্বশেষ আমেরিকায় যাওয়ার সময়ও কথা হয়েছে। সাকিব জানিয়েছে যে সে খেলতে চায়। এরপর বোর্ডের সকল পরিচালকের সম্মতিক্রমে আমরা সাকিবকে জাতীয় দলে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” সাকিবের বিরুদ্ধে পুরোনো মামলা ও আইনি

সাকিবের ফাইল যাচ্ছে সরকারের কাছে, তাহলে কি ফিরছেন তিনি?

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এ সময় বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগে সাকিবকে নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করায় তার দলে ফেরার সম্ভাবনা নতুন করে তৈরি হয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিসিবি সাকিবকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পৌঁছাবেন সাকিব। এমনটি ঘটলে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে তাকে খেলা দেখার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। তবে চলতি মাসে তার দেশে ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই।

তবুও সাকিবকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া থেমে নেই। বিসিবির পরিচালক আসিফ আকবর সর্বশেষ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক টকশোতে জানান, “সাকিবের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ থাকে। সর্বশেষ আমেরিকায় যাওয়ার সময়ও কথা হয়েছে। সাকিব জানিয়েছে যে সে খেলতে চায়। এরপর বোর্ডের সকল পরিচালকের সম্মতিক্রমে আমরা সাকিবকে জাতীয় দলে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

সাকিবের বিরুদ্ধে পুরোনো মামলা ও আইনি বিষয় নিয়ে আসিফ বলেন, ‘পরে সাকিবের মামলা বা অন্যান্য যা রয়েছে সেগুলো নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছি। সেগুলো নিয়ে তার আইনজীবী যোগাযোগ করেছে বিসিবির সঙ্গে। আমরা খুব দ্রুততম সময়ে খুব সম্ভবত রবি-সোমবারে কেসের ফাইলগুলো পৌঁছে দেব এবং পরবর্তী দায়িত্ব সরকারের। আশা করছি রবি-সোমবারের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে পৌঁছে দেব সাকিবের কেসের ফাইলগুলো।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow