সাগরে ভাসমান অবস্থায় ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার
কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের অদূরে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ভাসমান অবস্থায় ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশি একটি বাণিজ্যিক জাহাজ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জন রোহিঙ্গা এবং ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। কোস্ট গার্ড কক্সবাজার স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কোস্ট গার্ড জানায়, গত ৯ এপ্রিল ভোররাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ‘এমটি মেঘনা প্রাইড’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। ৯ এপ্রিল দুপুরে সেন্টমার্টিন উপকূল থেকে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ সংলগ্ন আন্তর্জাতিক জলসীমার গভীর সমুদ্রে জাহাজটির ক্রুরা ড্রাম ও কাঠের টুকরো ধরে ভাসমান অবস্থায় ওই ৯ জনকে দেখতে পান। জাহাজটির নাবিকরা মানবিক বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে জাহাজে তুলে নেন। শনিবার ভোররাতে জাহাজটি পুনরায় বাংলাদেশি জলসীমায় ফিরে এলে খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন মনসুর আলী’ ওই ৯ জনকে বুঝে নেয়। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্ত
কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের অদূরে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ভাসমান অবস্থায় ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশি একটি বাণিজ্যিক জাহাজ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জন রোহিঙ্গা এবং ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।
কোস্ট গার্ড কক্সবাজার স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কোস্ট গার্ড জানায়, গত ৯ এপ্রিল ভোররাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ‘এমটি মেঘনা প্রাইড’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। ৯ এপ্রিল দুপুরে সেন্টমার্টিন উপকূল থেকে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ সংলগ্ন আন্তর্জাতিক জলসীমার গভীর সমুদ্রে জাহাজটির ক্রুরা ড্রাম ও কাঠের টুকরো ধরে ভাসমান অবস্থায় ওই ৯ জনকে দেখতে পান।
জাহাজটির নাবিকরা মানবিক বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে জাহাজে তুলে নেন। শনিবার ভোররাতে জাহাজটি পুনরায় বাংলাদেশি জলসীমায় ফিরে এলে খবর পেয়ে কোস্ট গার্ডের জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন মনসুর আলী’ ওই ৯ জনকে বুঝে নেয়।
কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও আটজন পুরুষ রয়েছেন। সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া পাচারের সময় ট্রলারডুবি বা অন্য কোনো দুর্ঘটনায় তারা সাগরে ভাসছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে কোস্ট গার্ড। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কোস্ট গার্ডের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?