সাতক্ষীরায় খাস জমি দখল করলেন যুবদল নেতা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকিতে সরকারি খাস খতিয়ানের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে জি.এম. হাবিবুল্লাহ নামের এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। প্রভাব খাটিয়ে বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করে সেখানে দলীয় সাইনবোর্ড টানান তিনি। এ ঘটনায় গত ১ এপ্রিল জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান। যুবদল নেতা নাম- জি.এম. হাবিবুল্লাহ। তিনি শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটুলিয়া মৌজার ৫১৫৮ দাগের ১২.৬৬ বর্গমিটার জমি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান ও তার বাবা আলী সরকার থেকে বৈধ লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি জি.এম. হাবিবুল্লাহ দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি দখল করে নেন। শুধু তাই নয়, একই এলাকায় আরও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বৈধ লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছি। কিন্তু ক্ষমতার জোরে আমাদের উচ্ছেদ করে জায়গাটি দখল করা হয়েছে। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছি। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে

সাতক্ষীরায় খাস জমি দখল করলেন যুবদল নেতা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নওয়াবেঁকিতে সরকারি খাস খতিয়ানের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে জি.এম. হাবিবুল্লাহ নামের এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

প্রভাব খাটিয়ে বৈধ লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করে সেখানে দলীয় সাইনবোর্ড টানান তিনি। এ ঘটনায় গত ১ এপ্রিল জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান।

যুবদল নেতা নাম- জি.এম. হাবিবুল্লাহ। তিনি শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটুলিয়া মৌজার ৫১৫৮ দাগের ১২.৬৬ বর্গমিটার জমি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান ও তার বাবা আলী সরকার থেকে বৈধ লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি জি.এম. হাবিবুল্লাহ দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি দখল করে নেন। শুধু তাই নয়, একই এলাকায় আরও একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বৈধ লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছি। কিন্তু ক্ষমতার জোরে আমাদের উচ্ছেদ করে জায়গাটি দখল করা হয়েছে। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে শোনা গেছে, জি.এম. হাবিবুল্লাহ প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ‘এসপি, ডিসিও আমার কিছুই করতে পারবে না।’ এমন বক্তব্যে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে জি.এম. হাবিবুল্লাহর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সভাপতি রহমতুল্লাহ পলাশ বলেন, বিএনপির নাম করে কেউ জমি দখল করবে এটি দল কোনোভাবেই মেনে নেবে না। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার জায়গা দলে হবে না।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার বলেন, অভিযোগটি এখনও আমার নজরে আসেনি। তবে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow