সাতক্ষীরায় ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।  শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  জেলার চারটি আসনে জামানত হারালেন যারা– সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) : এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯৭। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ৪৬ হাজার ১৩৭ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ৫৪৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা) পেয়েছেন ২ হাজার ৭১ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম (ডাব) পেয়েছেন ৭১৫ ভোট। তাদের সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) : মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৩। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৮ হাজার ৭২৮ ভোট। জাতীয় পার্টির মো. আশরাফুজ্জামান পেয়েছেন ৪ হাজার ২৭৮ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৬ ভোট এবং বাংলাদেশ জাসদের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৩১৭ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সা

সাতক্ষীরায় ১১ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২০ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

জেলার চারটি আসনে জামানত হারালেন যারা–

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) : এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯৭। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ৪৬ হাজার ১৩৭ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ৫৪৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা) পেয়েছেন ২ হাজার ৭১ ভোট। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম (ডাব) পেয়েছেন ৭১৫ ভোট। তাদের সবারই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) : মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৩। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৮ হাজার ৭২৮ ভোট। জাতীয় পার্টির মো. আশরাফুজ্জামান পেয়েছেন ৪ হাজার ২৭৮ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি রবিউল ইসলাম পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৬ ভোট এবং বাংলাদেশ জাসদের মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী পেয়েছেন ৩১৭ ভোট। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

সাতক্ষীরা-৩ (কালীগঞ্জ-আশাশুনি) : এ আসনে জাতীয় পার্টির মো. আলিপ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওয়েজ কুরনী এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) : এ আসনে জাতীয় পার্টির মো. আব্দুর রশিদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এসএম মোস্তফা আল মামুন জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ভোট পাননি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার চারটি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তারা হলেন- গাজী নজরুল ইসলাম, মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার ও মো. ইজ্জত উল্লাহ।

চারটি আসনে মোট ভোট পড়েছে ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৬। চূড়ান্ত ফল গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে। 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে মোট বৈধ ভোটের অন্তত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow