সাবেক এমপির মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও খ্যাতনামা আলেম অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১টা ৪০ মিনিটে তিনি সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শোকবাণীতে তিনি বলেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও মুখলিস দাঈকে হারালাম। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের প্রচার, প্রসার এবং সংগঠনকে মজবুত ও গতিশীল করার পেছনে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের আদর্শকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। আমি তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি তার নির্বাচনী এলাকা কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের রাস্তাঘাট, স্কুল,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও খ্যাতনামা আলেম অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১টা ৪০ মিনিটে তিনি সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শোকবাণীতে তিনি বলেন, প্রিন্সিপাল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর ইন্তেকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ ও মুখলিস দাঈকে হারালাম। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের প্রচার, প্রসার এবং সংগঠনকে মজবুত ও গতিশীল করার পেছনে তার অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে সংগঠনের আদর্শকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। আমি তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী একজন জনপ্রিয় ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত ছিলেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি তার নির্বাচনী এলাকা কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির, ক্লাব ও পাঠাগারসহ অবহেলিত অঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। অসাম্প্রদায়িক ও উদার ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শ্রদ্ধেয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তার কবরকে প্রশস্ত করুন। তার গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তার জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন।
মৃত্যুকালে মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ১ পুত্র, ৪ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শনিবার বিকেল ৪ টায় কানাইঘাট তালবাড়ি জামিয়া ইসলামিয়া ইউসুফিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তালবাড়ি এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।