সাবেক মেজর সাদিককে ‘কারামুক্তিতে বাধা নেই’

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।  রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আসামির আইনজীবী আল আমিন। ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এ মামলায় গত ১০ আগস্ট সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক চাঁদ আলী। ওই দিন আসামিপক্ষের আইনজীবী আল আমিন সেদিন আদালতে বলেন, ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান? এ বিষয়ে ভাটার থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা দিতে বলেন আদালত।  আজ তারা ব্যাখায় বলেন, সন্দিগ্ধ আসামি চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর সাদিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরিরত থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ৩ জুলাই থেকে ৮ জুলাই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী ভাটারা এলাকা সংলগ্ন কেবি কনভেনশন হলের ২য় তলার হল রুমের ভেতর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (যা

সাবেক মেজর সাদিককে ‘কারামুক্তিতে বাধা নেই’

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। 

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আসামির আইনজীবী আল আমিন।

ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা এ মামলায় গত ১০ আগস্ট সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক চাঁদ আলী। ওই দিন আসামিপক্ষের আইনজীবী আল আমিন সেদিন আদালতে বলেন, ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান? এ বিষয়ে ভাটার থানার ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা দিতে বলেন আদালত। 

আজ তারা ব্যাখায় বলেন, সন্দিগ্ধ আসামি চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর সাদিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরিরত থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ৩ জুলাই থেকে ৮ জুলাই সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দিনব্যাপী ভাটারা এলাকা সংলগ্ন কেবি কনভেনশন হলের ২য় তলার হল রুমের ভেতর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (যার কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত) এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের একত্রিত করে একটি গোপন সভা করেন। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় ১৩ জুলাই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তিনি তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসাবে কারাগারে আছেন। 

আরও বলা হয়, সাবেক মেজর সাদিক প্রধান প্রশিক্ষক এবং কানেক্টরের ভূমিকায় থেকে রূপগঞ্জ থানার পূর্বাচল সি-সেল নামক রিসোর্ট, কাটাবনের একটি রেস্টুরেন্ট, মিরপুর ডিওএইচএসসহ উত্তরায় ১২ নম্বর সেক্টর এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বিপরীতে প্রিয়াংকা সিটিতে ২ নং গেট সংলগ্ন তার স্ত্রী সুমাইয়া যাফরিনসহ তার ফ্ল্যাট বাসায় একাধিকবার এ ধরনের গোপন প্রশিক্ষণ/ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছিলেন। আসামির পূর্বের নির্দেশনা, অর্থায়নে ও মদদে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পরবর্তী সময়ে মামলার ঘটনার তারিখ ও সময় বাদী গাড়ি পোড়ান। 

শুনানি শেষে আদালত সাদিককে এ মামলায় গ্রেপ্তার নামঞ্জুর করেন। অন্যদিকে ভাটারা থানার আরেক মামলায় সাদিক জামিনে আছেন। এছাড়া সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সাদিককে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর তিন মাসের কারাদণ্ড দেন সামরিক আদালত। তখন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow