সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মিলনের ইন্তেকাল

মানিকগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন আর নেই। রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোরে ঢাকার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। পরে তাকে ঢাকার পপুলার হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ফাতেমা সারোয়ার, ছেলে সাবায়ের সারোয়ার ও মেয়ে তানজিয়া সারোয়ার অমিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন। গোলাম সারোয়ার মিলন তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬-৯০ মেয়াদে তিনি মানিকগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৮৬-৮৭ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া পরবর্তীতে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রজীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৮১-৮২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হি

সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মিলনের ইন্তেকাল

মানিকগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন আর নেই।

রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোরে ঢাকার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)। পরে তাকে ঢাকার পপুলার হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ফাতেমা সারোয়ার, ছেলে সাবায়ের সারোয়ার ও মেয়ে তানজিয়া সারোয়ার অমিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধা রেখে গেছেন।

গোলাম সারোয়ার মিলন তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬-৯০ মেয়াদে তিনি মানিকগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৮৬-৮৭ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া পরবর্তীতে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রজীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯৮১-৮২) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন দল পরিবর্তন করেছেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ জনতা পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

তার মৃত্যুতে মানিকগঞ্জ জেলাসহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

তার ছেলে সাবায়ের সারোয়ার জানিয়েছেন, আজ বাদ জোহর মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার বাবার প্রথম জানাজা এবং ঢাকায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

মো. সজল আলী/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow