সামরিক ফ্রন্টে ব্যর্থ হয়ে ইরানের অর্থনীতিতে আঘাত হানছে শত্রুরা : পেজেশকিয়ান

সামরিক ক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে ইরানের শত্রুরা এখন দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, বর্তমানে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র হলো অর্থনীতি এবং এই অর্থনৈতিক যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করছে বেসরকারি খাত। বুধবার (২৭ মে) তেহরান চেম্বার অব কমার্স, ইন্ডাস্ট্রিজ, মাইনস অ্যান্ড এগ্রিকালচারে ব্যবসায়ী, বণিক এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, আজকের প্রধান মোকাবিলার ক্ষেত্র হলো অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকা। এই অর্থনৈতিক যুদ্ধের মূল বোঝা বহন করছেন ব্যবসায়ী, বণিক, উৎপাদক এবং বেসরকারি খাতের কর্মীরা। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পর শত্রুরা এখন অর্থনৈতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিদের ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, শত্রুরা চায় অর্থনৈতিক যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকা ব্যবসায়ী ও বণিকরা ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ুক। কিন্তু সরকার বেসরকারি খাতকে হোঁচট খেতে দেবে না। পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো স্পষ্ট এবং বেসরকারি খাত শুধু সরকারের অংশীদ

সামরিক ফ্রন্টে ব্যর্থ হয়ে ইরানের অর্থনীতিতে আঘাত হানছে শত্রুরা : পেজেশকিয়ান
সামরিক ক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে ইরানের শত্রুরা এখন দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, বর্তমানে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র হলো অর্থনীতি এবং এই অর্থনৈতিক যুদ্ধের সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করছে বেসরকারি খাত। বুধবার (২৭ মে) তেহরান চেম্বার অব কমার্স, ইন্ডাস্ট্রিজ, মাইনস অ্যান্ড এগ্রিকালচারে ব্যবসায়ী, বণিক এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, আজকের প্রধান মোকাবিলার ক্ষেত্র হলো অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকা। এই অর্থনৈতিক যুদ্ধের মূল বোঝা বহন করছেন ব্যবসায়ী, বণিক, উৎপাদক এবং বেসরকারি খাতের কর্মীরা। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার পর শত্রুরা এখন অর্থনৈতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিদের ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তার ভাষায়, শত্রুরা চায় অর্থনৈতিক যুদ্ধের সম্মুখসারিতে থাকা ব্যবসায়ী ও বণিকরা ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ুক। কিন্তু সরকার বেসরকারি খাতকে হোঁচট খেতে দেবে না। পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো স্পষ্ট এবং বেসরকারি খাত শুধু সরকারের অংশীদার নয়, বরং জাতীয় শক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস, বেসরকারি খাত যত বেশি সক্ষম, গতিশীল ও সক্রিয় হবে, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি তত শক্তিশালী হবে এবং বিদেশি চাপ ও হুমকির বিরুদ্ধে জাতীয় সক্ষমতাও বাড়বে। বৈঠকে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, নির্বাহী বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং তেহরানের গভর্নর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বাণিজ্য, পণ্য সরবরাহ, বাজার নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা, কাস্টমস, ব্যাংকিং ও করসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। পেজেশকিয়ান বলেন, তার সরকার কাঠামোগত নানা ভারসাম্যহীনতা উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে। এর সঙ্গে যুদ্ধ, রাজনৈতিক চাপ এবং ‘স্ন্যাপব্যাক’ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের সম্ভাবনাও যোগ হয়েছে। তিনি সরকার, বেসরকারি খাত এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানান। পেজেশকিয়ান বলেন, বিচার বিভাগ ও পার্লামেন্টের শীর্ষ নেতৃত্বও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিতদের সমর্থনের পক্ষে রয়েছে। ইসলামের ইতিহাস থেকে উদাহরণ টেনে পেজেশকিয়ান আরও বলেন, ইমাম আলির মালিক আল-আশতারকে লেখা চিঠিতেও ব্যবসায়ী ও বণিকদের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow