সারাক্ষণ রিলস দেখেন, ফোনের চার্জ ধরে রাখার উপায় জানুন

বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ দিনের অনেকটা সময় কাটান রিলস, শর্ট ভিডিও বা লাইভ কনটেন্ট দেখে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব শর্টস কিংবা টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মে একের পর এক ভিডিও দেখতে দেখতে কখন যে ফোনের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়, তা অনেকেই টের পান না। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে দীর্ঘ সময় রিলস দেখার পরও ফোনের চার্জ তুলনামূলক বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব। আসুন জনে নেওয়া যাক- ১. প্রথমেই নজর দিতে হবে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতার দিকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফোনের ডিসপ্লেই সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে। তাই প্রয়োজন না হলে ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ পর্যায়ে না রেখে অটো ব্রাইটনেস বা মাঝামাঝি পর্যায়ে ব্যবহার করা ভালো। ২. রিলস দেখার সময় অনেকেই মোবাইল ডাটা, ব্লুটুথ, জিপিএস ও ওয়াই-ফাই একসঙ্গে চালু রাখেন। কিন্তু যেসব ফিচার ব্যবহার করছেন না, সেগুলো বন্ধ রাখলে ব্যাটারির ওপর চাপ কমে। বিশেষ করে লোকেশন সার্ভিস ও ব্লুটুথ অপ্রয়োজনে চালু থাকলে চার্জ দ্রুত কমতে পারে। ৩. ফোনের ব্যাটারি সেভার বা পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করাও কার্যকর একটি উপায়। বর্তমানে প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনেই এমন সুবিধা রয়েছে, যা ব্যাকগ্রাউন্

সারাক্ষণ রিলস দেখেন, ফোনের চার্জ ধরে রাখার উপায় জানুন

বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ দিনের অনেকটা সময় কাটান রিলস, শর্ট ভিডিও বা লাইভ কনটেন্ট দেখে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব শর্টস কিংবা টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মে একের পর এক ভিডিও দেখতে দেখতে কখন যে ফোনের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়, তা অনেকেই টের পান না। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে দীর্ঘ সময় রিলস দেখার পরও ফোনের চার্জ তুলনামূলক বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব।

আসুন জনে নেওয়া যাক-

  • ১. প্রথমেই নজর দিতে হবে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতার দিকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফোনের ডিসপ্লেই সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে। তাই প্রয়োজন না হলে ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ পর্যায়ে না রেখে অটো ব্রাইটনেস বা মাঝামাঝি পর্যায়ে ব্যবহার করা ভালো।
  • ২. রিলস দেখার সময় অনেকেই মোবাইল ডাটা, ব্লুটুথ, জিপিএস ও ওয়াই-ফাই একসঙ্গে চালু রাখেন। কিন্তু যেসব ফিচার ব্যবহার করছেন না, সেগুলো বন্ধ রাখলে ব্যাটারির ওপর চাপ কমে। বিশেষ করে লোকেশন সার্ভিস ও ব্লুটুথ অপ্রয়োজনে চালু থাকলে চার্জ দ্রুত কমতে পারে।
  • ৩. ফোনের ব্যাটারি সেভার বা পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করাও কার্যকর একটি উপায়। বর্তমানে প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনেই এমন সুবিধা রয়েছে, যা ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপের কার্যক্রম সীমিত করে ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে।
  • ৪. এছাড়া ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ রাখা উচিত। অনেক সময় একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যার ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। নিয়মিত অ্যাপ আপডেট করলেও ব্যাটারির কর্মক্ষমতা ভালো থাকে, কারণ নতুন আপডেটে অনেক ক্ষেত্রে পাওয়ার অপটিমাইজেশনের সুবিধা যুক্ত করা হয়।
  • ৫. ভিডিও দেখার সময় স্পিকারের পরিবর্তে তারযুক্ত ইয়ারফোন ব্যবহার করলে কিছুটা চার্জ সাশ্রয় হতে পারে। একই সঙ্গে ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে কিছু সময় বিরতি দেওয়া ভালো। অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

স্মার্টফোন এখন বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। তবে কয়েকটি ছোট অভ্যাস পরিবর্তন করলেই সারাক্ষণ রিলস দেখার পরও ফোনের চার্জ অনেকটা বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব। এতে যেমন বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা কমবে, তেমনি ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বও বজায় থাকবে।

আরও পড়ুন
স্মার্টফোন দামি হলেই কি ভালো?
গরমে যেভাবে স্মার্টফোনের যত্ন নিলে কমবে বিস্ফোরণের ঝুঁকি

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow