সাড়ে ১৩ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করে নিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহুদিন ধরে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলেও এখন পর্যন্ত তাতে সফল হননি। তবে শেষ পর্যন্ত ইরান থেকে না পারলেও দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে ইউরেনিয়াম জব্দ করতে পেরেছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (৮ মে) যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ জানায়, ভেনেজুয়েলার একটি পুরনো গবেষণা চুল্লি থেকে ১৩ দশমিক ৫ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভেনেজুয়ার যৌথ অভিযানে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের অধীন জাতীয় পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান ব্র্যান্ডন উইলিয়ামস বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিরাপদে অপসারণ বিশ্বকে নতুন বার্তা দিয়েছে—দেশটি আবারও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ফিরে আসছে।’ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি জানিয়েছে, অত্যন্ত সংবেদনশীল এই অভিযানে ইউরেনিয়াম স্থল ও সমুদ্রপথে নিরাপদে উত্তর আমেরিকায় আনা হয়। পরে তা যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের জ্বালানি বিভাগের একটি স্থাপনায় নেওয়া হয়।  এদিকে চলতি

সাড়ে ১৩ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করে নিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহুদিন ধরে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলেও এখন পর্যন্ত তাতে সফল হননি। তবে শেষ পর্যন্ত ইরান থেকে না পারলেও দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে ইউরেনিয়াম জব্দ করতে পেরেছেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (৮ মে) যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ জানায়, ভেনেজুয়েলার একটি পুরনো গবেষণা চুল্লি থেকে ১৩ দশমিক ৫ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভেনেজুয়ার যৌথ অভিযানে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের অধীন জাতীয় পারমাণবিক নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান ব্র্যান্ডন উইলিয়ামস বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিরাপদে অপসারণ বিশ্বকে নতুন বার্তা দিয়েছে—দেশটি আবারও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ফিরে আসছে।’

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি জানিয়েছে, অত্যন্ত সংবেদনশীল এই অভিযানে ইউরেনিয়াম স্থল ও সমুদ্রপথে নিরাপদে উত্তর আমেরিকায় আনা হয়। পরে তা যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের জ্বালানি বিভাগের একটি স্থাপনায় নেওয়া হয়। 

এদিকে চলতি বছরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে বড় পরিবর্তন আসে।

পরে ওয়াশিংটন কারাকাসের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন শুরু করে।

এরই মধ্যে কয়েকজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা ভেনেজুয়েলা সফর করেছেন। সাত বছরের বেশি সময় পর দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ফ্লাইটও চালু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের দূতাবাসও পুনরায় খুলেছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ানের।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow