সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা, স্বর্ণালংকার-টাকা লুট

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় চুরি করতে ঘরে ঢুকে ফাতেমা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলেও দাবি নিহতের স্বজনদের। রোববার (২৮ জুন) গভীর রাতে উপজেলার সাচার ইউনিয়নের বেরকুটা গ্রামের মিয়াজী বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা বেগম ওই এলাকার মৃত সাদেক মিয়াজীর স্ত্রী। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ফাতেমা বেগম। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরে থাকা মালামাল লুটের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে ফাতেমা বেগম বিষয়টি টের পেয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ স্বজনদের। পরবর্তীতে দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। সোমবার সকালে পরিবারের লোকজন ঘরে গিয়ে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় ফাতেমা বেগমের মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা, স্বর্ণালংকার-টাকা লুট

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় চুরি করতে ঘরে ঢুকে ফাতেমা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলেও দাবি নিহতের স্বজনদের।

রোববার (২৮ জুন) গভীর রাতে উপজেলার সাচার ইউনিয়নের বেরকুটা গ্রামের মিয়াজী বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফাতেমা বেগম ওই এলাকার মৃত সাদেক মিয়াজীর স্ত্রী।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন ফাতেমা বেগম। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ঘরে থাকা মালামাল লুটের চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে ফাতেমা বেগম বিষয়টি টের পেয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

পরবর্তীতে দুর্বৃত্তরা ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। সোমবার সকালে পরিবারের লোকজন ঘরে গিয়ে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় ফাতেমা বেগমের মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শরীফুল ইসলাম/এফএ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow