সিটি ব্যাংকের ১২০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের এক হাজার ২০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সেই সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদ বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিএসইসির ১০০৭তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। বৈঠক শেষে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম জানান, বৈঠকে সিটি ব্যাংকের এক হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সাত বছর মেয়াদি এই বন্ডটি হবে আনসিকিউরড, নন-কনভার্টিবল, ফুললি রিডিমেবল এবং কুপন বেয়ারিং। এর সুদের হার নির্ধারিত হবে ছয় মাস মেয়াদি আমানতের রেফারেন্স রেটের সঙ্গে ৩ শতাংশ কুপন মার্জিন যোগ করে। বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ব্যাংক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং মিউচুয়াল ফান্ডের কাছে ইস্যু করা হবে। প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। এ বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহ

সিটি ব্যাংকের ১২০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের এক হাজার ২০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সেই সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদ বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিএসইসির ১০০৭তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

বৈঠক শেষে বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম জানান, বৈঠকে সিটি ব্যাংকের এক হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সাত বছর মেয়াদি এই বন্ডটি হবে আনসিকিউরড, নন-কনভার্টিবল, ফুললি রিডিমেবল এবং কুপন বেয়ারিং। এর সুদের হার নির্ধারিত হবে ছয় মাস মেয়াদি আমানতের রেফারেন্স রেটের সঙ্গে ৩ শতাংশ কুপন মার্জিন যোগ করে।

বন্ডটি প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ব্যাংক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং মিউচুয়াল ফান্ডের কাছে ইস্যু করা হবে। প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। এ বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ করপোরেট, খুচরা ও এসএমই ঋণ খাতে ব্যয় করবে ব্যাংকটি।

বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে থাকবে ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং অ্যারেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্ট লিমিটেড ও আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বন্ডটি অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে তালিকাভুক্ত হবে।

এছাড়া বৈঠকে যমুনা ব্যাংকের ৮০০ কোটি টাকার একটি সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদ শেষবারের মতো ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

একইভাবে ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার সাব-অর্ডিনেটেড বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদও সর্বশেষবারের মতো ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই মূল সম্মতিপত্রের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

এমএএস/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow