সিরিয়ার আকাশপথ বন্ধ ঘোষণা
সিরিয়ার সিভিল এভিয়েশন অথরিটি দেশের আকাশপথের একাংশ আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের এয়ার করিডরগুলো শনিবার দুপুর ১২টা (গ্রিনউইচ মান সময় ৯টা) থেকে ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকবে।
বিবৃতিতে বন্ধের কারণ বা এর পেছনের কোনো বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তবে এ ধরনের আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা সাধারণত সামরিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা উদ্বেগ বা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির কারণে করা হয়।
বিবৃতিতে বলা না হলেও এটি স্পষ্ট যে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলার জেরে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিরিয়া।
সিরিয়ার এই ঘোষণা আসার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থাগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। ফ্লাইট অপারেটরদের বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে যাত্রী ও বিমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
বর্তমানে ইরান ইস্যুতে হলেও সিরিয়ায় চলমান অস্থিরতা ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের আকাশপথ বন্ধের ঘটনা এর আগেও দেখা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ে আরও তথ্যের জন্য সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বিবৃতির অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান সং
সিরিয়ার সিভিল এভিয়েশন অথরিটি দেশের আকাশপথের একাংশ আংশিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের এয়ার করিডরগুলো শনিবার দুপুর ১২টা (গ্রিনউইচ মান সময় ৯টা) থেকে ১২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকবে।
বিবৃতিতে বন্ধের কারণ বা এর পেছনের কোনো বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। তবে এ ধরনের আকাশপথ বন্ধের ঘোষণা সাধারণত সামরিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা উদ্বেগ বা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতির কারণে করা হয়।
বিবৃতিতে বলা না হলেও এটি স্পষ্ট যে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইরানের পাল্টা হামলার জেরে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিরিয়া।
সিরিয়ার এই ঘোষণা আসার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থাগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে। ফ্লাইট অপারেটরদের বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাতে যাত্রী ও বিমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
বর্তমানে ইরান ইস্যুতে হলেও সিরিয়ায় চলমান অস্থিরতা ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের আকাশপথ বন্ধের ঘটনা এর আগেও দেখা গেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ে আরও তথ্যের জন্য সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বিবৃতির অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলো। সে সঙ্গে ইরান পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।