সিলেট শাহী ঈদগাহে মানুষের ঢল, মোনাজাতে দেশের কল্যাণ কামনা
উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সিলেটের ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে। সিলেট জেলা ও মহানগরজুড়ে ৩ হাজারের বেশি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাহী ঈদগাহসহ বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে, মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।
বরাবরের মতো এবারও নগরের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়। এতে লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। এ সময় ইমামতি করেন বরুণার পীর সাহেব।
ফজরের নামাজের পর থেকেই মহানগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিদের ঢল নামে শাহী ঈদগাহ ময়দানে। অধিকাংশ মুসল্লির হাতেই ছিল জায়নামাজ। ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এছাড়া হজরত শাহজালাল (র.) মাজার মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় এবং হজরত শাহপরান (র.) মাজার মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরের বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে সকাল ৭টা, ৮টা ও ৯টায়।
এদিকে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কোরআনের
উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে সিলেটের ঐতিহাসিক শাহী ঈদগাহ ময়দানে। সিলেট জেলা ও মহানগরজুড়ে ৩ হাজারের বেশি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাহী ঈদগাহসহ বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে, মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।
বরাবরের মতো এবারও নগরের প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী শাহী ঈদগাহ মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায়। এতে লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন। এ সময় ইমামতি করেন বরুণার পীর সাহেব।
ফজরের নামাজের পর থেকেই মহানগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসল্লিদের ঢল নামে শাহী ঈদগাহ ময়দানে। অধিকাংশ মুসল্লির হাতেই ছিল জায়নামাজ। ঈদের নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এছাড়া হজরত শাহজালাল (র.) মাজার মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় এবং হজরত শাহপরান (র.) মাজার মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরের বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে সকাল ৭টা, ৮টা ও ৯টায়।
এদিকে সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কোরআনের উদ্যোগে সকাল ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবার সিলেট জেলা ও মহানগরজুড়ে সিলেটে মোট ২ হাজার ৯৫৮টি স্থানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে মহানগর এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় ৩৯৬টি জামাত। প্রতিটি জামাতে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
শাহী ঈদগাহ মাঠে প্রধান জামাতে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকীসহ সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং জামায়াতের নেতারাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং নানা শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজে অংশ নেন।
ঈদকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঈদগাহ ও মসজিদ এলাকায় সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের জন্য প্রবেশ ও বাহিরের পথে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়।
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সরকার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। একই সঙ্গে দেশকে উন্নয়নের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ঈদের এই সময়ে যেসব প্রবাসী সংকটে আছেন, তাদের পাশে সরকার রয়েছে। একই সঙ্গে সম্প্রীতি ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।