‘সিলেটে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যার আশঙ্কা, প্রস্তুত সিসিক’ 

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একসময় সুরমা ও কুশিয়ারা ছিল খরস্রোতা নদী। দখল ও দূষণের কারণে আজ এ নদীগুলো বিপন্ন হয়ে পড়েছে।  সোমবার (২২ জুন) বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রশাসক বলেন, আমরা চাই না কোনো ধরনের দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হোক। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যাতে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখা যায় এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয় সে লক্ষ্যেই আমরা আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সিটি করপোরেশনের সব বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  এছাড়া নগরবাসীর সেবা করতেই আমি দায়িত্ব নিয়েছি। সাধ্যমতো সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় সিলেট সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় জানানো হয়, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী এক সপ্তাহ সিলেট অঞ্চলে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতিবৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরি

‘সিলেটে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যার আশঙ্কা, প্রস্তুত সিসিক’ 

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, একসময় সুরমা ও কুশিয়ারা ছিল খরস্রোতা নদী। দখল ও দূষণের কারণে আজ এ নদীগুলো বিপন্ন হয়ে পড়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, আমরা চাই না কোনো ধরনের দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হোক। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে যাতে নগরবাসীকে নিরাপদ রাখা যায় এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয় সে লক্ষ্যেই আমরা আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সিটি করপোরেশনের সব বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়া নগরবাসীর সেবা করতেই আমি দায়িত্ব নিয়েছি। সাধ্যমতো সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় সিলেট সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় জানানো হয়, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী এক সপ্তাহ সিলেট অঞ্চলে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতিবৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিক প্রশাসকের নির্দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করা হয়।

সভায় কমিটির সদস্যরা সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এ সময় সিসিক প্রশাসক সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কর্মকর্তাদের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ, জরুরি সেবাগুলো প্রস্তুত রাখা এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

সভায় বক্তব্য দেন— সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সচিব মো. আশিক নূর এবং প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবরসহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতারা। এ সময় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরাও সভায় অংশগ্রহণ করেন।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow