সিলেটে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩০৪
সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩০৪ জন ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম। মৃত্যু হওয়া শিশুরা হলো, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ এলাকার রুবেল মিয়ার চার মাস বয়সী ছেলে আবু বক্কর। সে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। অপরজন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গোলগাঁও গ্রামের জাকির হোসেনের ৭ মাস বয়সী মেয়ে তাইফা। সে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে সি
সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ৩০৪ জন ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম।
মৃত্যু হওয়া শিশুরা হলো, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ এলাকার রুবেল মিয়ার চার মাস বয়সী ছেলে আবু বক্কর। সে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। অপরজন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার গোলগাঁও গ্রামের জাকির হোসেনের ৭ মাস বয়সী মেয়ে তাইফা। সে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে সিলেট বিভাগে এ পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ৭৭৪ জনের মধ্যে সিলেট জেলায় ২৫৬ জন, হবিগঞ্জে ৮৫ জন (এর মধ্যে ২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ৮২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫১ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩১ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন ভর্তি হয়।
বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগে ৩০৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪১ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬৯ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ১ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৬ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২৫ জন ভর্তি আছে।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদন সূত্রে আরো জানা গেছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সন্দেহজনক হামে মোট ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ৩৮ জন, হবিগঞ্জে ১৩ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫১ জন। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২০ জন। জেলার ভিত্তিতে সিলেটে ৪২ জন, হবিগঞ্জে ১৩ জন, মৌলভীবাজারে ১৩ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম কালবেলাকে বলেন, হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৪ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে ১২০ শিশু ও এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে।
What's Your Reaction?