সিলেটের সৌন্দর্য বর্ধনে কাজ করা হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘সিলেট দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। এ অঞ্চলের সৌন্দর্যবর্ধন ও পারিপার্শ্বিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সুধিজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘শুধুমাত্র কৃষি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নয়, ঘনঘন পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা প্রতিরোধে খনন করা খালগুলো যেন পরিবেশ সহায়ক হয়, সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখবে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে। জনগণের জন্য যেসব কাজ অগ্রাধিকারভিত্তিতে করা প্রয়োজন, সেগুলো বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।’  তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খালখনন কর্মসূচিকে আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন। ফলে, কৃষি উৎপাদন দ্বিগুণ হওয়ার পাশাপাশি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়

সিলেটের সৌন্দর্য বর্ধনে কাজ করা হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘সিলেট দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। এ অঞ্চলের সৌন্দর্যবর্ধন ও পারিপার্শ্বিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সুধিজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘শুধুমাত্র কৃষি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নয়, ঘনঘন পাহাড়ি ঢল থেকে সৃষ্ট বন্যা প্রতিরোধে খনন করা খালগুলো যেন পরিবেশ সহায়ক হয়, সেদিকে সরকার দৃষ্টি রাখবে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে। জনগণের জন্য যেসব কাজ অগ্রাধিকারভিত্তিতে করা প্রয়োজন, সেগুলো বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খালখনন কর্মসূচিকে আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন। ফলে, কৃষি উৎপাদন দ্বিগুণ হওয়ার পাশাপাশি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছিল।’

অনুষ্ঠানে শ্রম, কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের চাষাবাদের ক্ষেত্রে পানির ব্যাপক সংকট দেখা দেয়। ফলে, কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণের জন্য খাল খনন অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি সুইচ গেট নির্মাণ করা হলে সুবিধামতো পানি ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিলেট প্রাকৃতিকভাবে উর্বর ও পর্যটনসমৃদ্ধ এলাকা। জৈন্তাপুরের শাপলা বিল দেখতে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক আসেন। ওই বিলে বাঁধ সংস্কার করা গেলে সারা বছর পানি সংরক্ষণ সম্ভব। পর্যটন কার্যক্রমও সম্প্রসারিত হবে। এ ছাড়া শাপলা বিলের কাছে একটি রেস্ট হাউজ নির্মাণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।’

জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম শাহাবুদ্দিন, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শনিবার সকালে সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় খালখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow