সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া বসানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের অরক্ষিত অংশে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত অঞ্চলে জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ দিয়েছে তা অবিলম্বে বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে। বেশ কয়েক মাস ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটা বড় অংশে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার জমি দিচ্ছে না। প্রায় ১৮০ কিমি জমির জন্য টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সেই জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এবার এক সাবেক সেনা কর্মীর করা মামলায় এই রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। সাবেক সেনা কর্মীর পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, ২০১৩ সালের আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে। যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা জড়িত, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করতে এই আইন প্রয়োগ করা যায়। এছাড়াও ২০১৬ থেকে কীভাবে ড্রাগের পাচার চলছে তাও উল্লেখ করা হয় মামলায়।

সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া বসানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের অরক্ষিত অংশে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত অঞ্চলে জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ দিয়েছে তা অবিলম্বে বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে।

বেশ কয়েক মাস ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটা বড় অংশে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার জমি দিচ্ছে না। প্রায় ১৮০ কিমি জমির জন্য টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সেই জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

এবার এক সাবেক সেনা কর্মীর করা মামলায় এই রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।

সাবেক সেনা কর্মীর পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, ২০১৩ সালের আইনের ৪০ ধারায় সেই সুযোগ রয়েছে। যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা জড়িত, সেখানে জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করতে এই আইন প্রয়োগ করা যায়।

এছাড়াও ২০১৬ থেকে কীভাবে ড্রাগের পাচার চলছে তাও উল্লেখ করা হয় মামলায়। এরপরেই রাজ্যর আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা রাজ্যের বিরোধী। তাই এক্ষেত্রে সেকশন ৪০ অমান্য করা হবে না। অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া সেকশন ৪০ প্রয়োগ করা যায় না।

এরপরেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে সব জমির পেমেন্ট দেওয়া হয়ে গেছে, সেসব জমি ২০২৬-এর মার্চের মধ্যেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে হস্তান্তরের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়ে যাবে। দু একটি জেলার ক্ষেত্রে এক দুই মাস সময় বেশি লাগতে পারে।

তবে জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে এখনো পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্যাবিনেটের অনুমোদন মেলেনি। সে বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সীমান্তের জমি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বক্তব্যের ওপর মামলার শুনানি করবে আদালত। এরই মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ এপ্রিল ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিডি/টিটিএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow