সুনামগঞ্জে আগুনে পুড়ে ৬ পরিবারে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আগুনে পুড়ে ৬টি পরিবারের নগদ টাকা স্বর্নলংকার,ধান, দলিল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ওই সব পরিবারের সদস্যদের গায়ে থাকা কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। এই ঘটনার পর থেকে খোলা আকাশের নিয়ে অবস্থান করছেন ক্ষতি গ্রস্তরা। মঙ্গলবার(০৫ মে) রাত ৭ টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামে ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ক্ষতি গ্রস্ত একেই পরিবারের রমেন্দ্র তালুকদার (৭০),রাকেশ তালুকদার(৬৮), রনজিত তালুকদার (৬৫),রতিন্দ্র তালুকদার (৬০),রতিশ তালুকদার (৪৮),তারা নোয়াগাও গ্রামের মৃত রমেশ তালুকদারের ছেলে ও একেই গ্রামের কৃপেশ তালুকদার। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,হঠাৎ করেই ক্ষতি গ্রস্তদের মধ্যে একটি বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই কয়েক গ্রামের বাসিন্দাগন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। নগদ টাকা স্বর্নলংকার,ধান,দলিল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র পরিবার গুলোর ছেলে মেয়েদের বই খাতাও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে ৬টি পরিবার একবারেই নিঃস্ব হয়ে গেছে। বসতবাড়ি না থাকলেও

সুনামগঞ্জে আগুনে পুড়ে ৬ পরিবারে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আগুনে পুড়ে ৬টি পরিবারের নগদ টাকা স্বর্নলংকার,ধান, দলিল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ওই সব পরিবারের সদস্যদের গায়ে থাকা কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে। এই ঘটনার পর থেকে খোলা আকাশের নিয়ে অবস্থান করছেন ক্ষতি গ্রস্তরা।

মঙ্গলবার(০৫ মে) রাত ৭ টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নোয়াগাও গ্রামে ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনায় ক্ষতি গ্রস্ত একেই পরিবারের রমেন্দ্র তালুকদার (৭০),রাকেশ তালুকদার(৬৮), রনজিত তালুকদার (৬৫),রতিন্দ্র তালুকদার (৬০),রতিশ তালুকদার (৪৮),তারা নোয়াগাও গ্রামের মৃত রমেশ তালুকদারের ছেলে ও একেই গ্রামের কৃপেশ তালুকদার।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,হঠাৎ করেই ক্ষতি গ্রস্তদের মধ্যে একটি বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহুর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসময় ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই কয়েক গ্রামের বাসিন্দাগন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। নগদ টাকা স্বর্নলংকার,ধান,দলিল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র পরিবার গুলোর ছেলে মেয়েদের বই খাতাও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে করে ৬টি পরিবার একবারেই নিঃস্ব হয়ে গেছে। বসতবাড়ি না থাকলেও শুধুই পাকা পালা দাড়িয়ে আছে।

সমাজ সেবক শেখ দেলোয়ার হোসেন জানান,আগুনে এমন ভাবে পুড়েছে যে জীবন বাঁচা দায় হয়ে পড়েছিল পরিবার গুলোর সদস্যদের। ঘর থেকে কোনো রখমে বের হয়ে জীবন বাঁচিয়েছে। আগামী দিন গুলোতে কি ভাবে কাটবে ওই সব পরিবারের সদস্যরা এখন দিশেহারা।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মতিন খান জানান,এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow