সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে
টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও জেলার সব পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রেই পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। রোববার (০২ আগস্ট) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দৈনিক পানির স্তর বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
বুলেটিনে জানানো হয়, সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ স্টেশনে পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭২ মিটার, যা বিপৎসীমার (৭ দশমিক ৮০ মিটার) চেয়ে ১ দশমিক ০৮ মিটার নিচে। একই নদীর ছাতক স্টেশনে পানির স্তর ৭ দশমিক ৮৯ মিটার, যা বিপদসীমার ৮ দশমিক ৭০ মিটার থেকে ৮১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
লাউরেরগড় স্টেশনে পানির স্তর ৬ দশমিক ৪৬ মিটার, যা বিপৎসীমার তুলনায় ১ দশমিক ৫৯ মিটার নিচে। দিরাই স্টেশনে পানির স্তর ৬ দশমিক ২৮ মিটার, যা বিপদসীমার চেয়ে ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
অন্যদিকে, জগন্নাথপুর ও সোলামানপুর স্টেশনের সর্বশেষ কিছু তথ্য বুলেটিনে অসম্পূর্ণ থাকায় এসব স্টেশনের বিপৎসীমার তুলনামূলক অবস্থান উল্লেখ করা হয়নি।
বৃষ্টিপাতের হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সুনামগঞ্জে। এছাড়া লাউরেরগড়ে ৭১ মিলিমিটার, ছাতকে ২৯ মিল
টানা বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও জেলার সব পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রেই পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। রোববার (০২ আগস্ট) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দৈনিক পানির স্তর বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
বুলেটিনে জানানো হয়, সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ স্টেশনে পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৭২ মিটার, যা বিপৎসীমার (৭ দশমিক ৮০ মিটার) চেয়ে ১ দশমিক ০৮ মিটার নিচে। একই নদীর ছাতক স্টেশনে পানির স্তর ৭ দশমিক ৮৯ মিটার, যা বিপদসীমার ৮ দশমিক ৭০ মিটার থেকে ৮১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
লাউরেরগড় স্টেশনে পানির স্তর ৬ দশমিক ৪৬ মিটার, যা বিপৎসীমার তুলনায় ১ দশমিক ৫৯ মিটার নিচে। দিরাই স্টেশনে পানির স্তর ৬ দশমিক ২৮ মিটার, যা বিপদসীমার চেয়ে ৮৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
অন্যদিকে, জগন্নাথপুর ও সোলামানপুর স্টেশনের সর্বশেষ কিছু তথ্য বুলেটিনে অসম্পূর্ণ থাকায় এসব স্টেশনের বিপৎসীমার তুলনামূলক অবস্থান উল্লেখ করা হয়নি।
বৃষ্টিপাতের হিসাবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে সুনামগঞ্জে। এছাড়া লাউরেরগড়ে ৭১ মিলিমিটার, ছাতকে ২৯ মিলিমিটার এবং ডেরাইয়ে ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন স্টেশনে পানির স্তর ধীরে ধীরে বাড়লেও বর্তমানে জেলার কোথাও নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে উজানের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে।