সুনামগঞ্জে বিয়ের ১১ দিনের মাথায় নববধূ নিখোঁজ, থানায় সাধারণ ডায়েরি
বিয়ের মাত্র ১১ দিনের মাথায় সুনামগঞ্জ থেকে জয়া দাস (২০) নামে এক নববধূ নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।নিখোঁজ জয়া দাস সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার কলোতা গ্রামের নিপেশ দাসের মেয়ে। তাঁর স্বামীর নাম চয়ন তালুকদার (২৬), একই উপজেলার পুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা হেমেন্দ্র তালুকদারের ছেলে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, নববিবাহিত দম্পতি গত কিছুদিন আগে সুনামগঞ্জ শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের জামাইপাড়ায় চয়ন তালুকদারের কাকার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে গত শনিবার (১৪ ) জয়া দাস তাঁর আপন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় বিষয়টি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় জানানো হয়েছে এবং একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।নিখোঁজ জয়া দাসকে কোথাও দেখা গেলে বা তাঁর সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে ০১৬০৯৯২১৪৩৫ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে তাঁর পরিবার। পরিবারের সদস্যরা আশা করছেন, পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে নববধূকে খুঁজে বের করতে
বিয়ের মাত্র ১১ দিনের মাথায় সুনামগঞ্জ থেকে জয়া দাস (২০) নামে এক নববধূ নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
নিখোঁজ জয়া দাস সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার কলোতা গ্রামের নিপেশ দাসের মেয়ে। তাঁর স্বামীর নাম চয়ন তালুকদার (২৬), একই উপজেলার পুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা হেমেন্দ্র তালুকদারের ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, নববিবাহিত দম্পতি গত কিছুদিন আগে সুনামগঞ্জ শহরের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের জামাইপাড়ায় চয়ন তালুকদারের কাকার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে গত শনিবার (১৪ ) জয়া দাস তাঁর আপন ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় বিষয়টি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় জানানো হয়েছে এবং একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
নিখোঁজ জয়া দাসকে কোথাও দেখা গেলে বা তাঁর সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে ০১৬০৯৯২১৪৩৫ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে তাঁর পরিবার। পরিবারের সদস্যরা আশা করছেন, পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে নববধূকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানিয়েছেন, এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?