সুনামগঞ্জের ছাতকে দু'পক্ষের  সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

সুনামগঞ্জের ছাতকে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের আমেরতল গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের এড.মনির উদ্দিন ও কফিল উদ্দিন পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। শনিবার( ২৩ মে) সকালে গ্রামের এড.মনির উদ্দিন ও কফিল উদ্দিন পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল সুত্র থেকে জানাগেছে সংঘর্ষে আহত ২৯ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৯ জনকে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি ও ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে বিগত দিনে আরো একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। থানা ও আদালতে রয়েছে উভয় পক্ষের একাধিক মামলা। মামলার আসামী কফিল উদ্দিনের ভাই ফয়সাল আহমদ দীর্ঘদিন আদালতে হাজিরা না দিয়ে পলাতক ছিলেন। ঈদ উপলক্ষে শুক্রবার নিজ বাড়িতে আসার পর প্রতিপক্ষরা তাকে ধাওয়া করেছে। এ নিয়ে বিকেলে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নিলে এলাকার গণ্যমান্যরা তাৎক্ষনিক দু'পক্ষের সংঘর্ষ থামায়। কিন্তু দুই পক্ষ শনিবার সকাল আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত গ্রামের তজন্মুল আলীর

সুনামগঞ্জের ছাতকে দু'পক্ষের  সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

সুনামগঞ্জের ছাতকে উত্তর খুরমা ইউনিয়নের আমেরতল গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের এড.মনির উদ্দিন ও কফিল উদ্দিন পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলের আঘাতে দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।

শনিবার( ২৩ মে) সকালে গ্রামের এড.মনির উদ্দিন ও কফিল উদ্দিন পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

হাসপাতাল সুত্র থেকে জানাগেছে সংঘর্ষে আহত ২৯ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ৯ জনকে ছাতক হাসপাতালে ভর্তি ও ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, উভয় পক্ষের মধ্যে বিগত দিনে আরো একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। থানা ও আদালতে রয়েছে উভয় পক্ষের একাধিক মামলা। মামলার আসামী কফিল উদ্দিনের ভাই ফয়সাল আহমদ দীর্ঘদিন আদালতে হাজিরা না দিয়ে পলাতক ছিলেন। ঈদ উপলক্ষে শুক্রবার নিজ বাড়িতে আসার পর প্রতিপক্ষরা তাকে ধাওয়া করেছে। এ নিয়ে বিকেলে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নিলে এলাকার গণ্যমান্যরা তাৎক্ষনিক দু'পক্ষের সংঘর্ষ থামায়। কিন্তু দুই পক্ষ শনিবার সকাল আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত গ্রামের তজন্মুল আলীর পুত্র আক্তার হোসেন (৫০),আবুল কালামের পুত্র শাহজাহান মিয়া (৬০), মুক্তার আলী (৫৫),তৈয়ব আলীর পুত্র তাজুল ইসলাম (৫৫), আরজু মিয়ার পুত্র কেনু মিয়া (৩৫), জমির উদ্দিনের পুত্র ছালেক মিয়া (২৩) সহ আহত ২৯জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ৯ জনকে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান,পুর্ব বিরোধের জেরে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বর্তমানে গ্রামের পরস্থিতি শান্ত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow