সুন্দরবনে জেলে অপহরণ, নতুন আতঙ্ক ‘নানা ভাই’
সাতক্ষীরার সুন্দরবনের অভ্যন্তরে শিকারের সময় এক জেলেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কুখ্যাত ‘নানা ভাই’ বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার কথা বলছেন স্থানীয়রা। এতে উপকূলীয় জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে কলাগাছিয়া স্টেশন সংলগ্ন বাদুরঝুলি খালে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও জেলের পরিবারে সূত্রে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরাগ্রামের এক জেলে শনিবার বিকেলে সুন্দরবনের বাদুরঝুলি খালে মাছ ধরছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে অস্ত্রধারী একদল দস্যু তাকে জিম্মি করে তুলে নিয়ে যায়।
অপহরণের পরপরই দস্যু চক্রটি ‘নানা ভাই’ বাহিনীর পরিচয়ে জেলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে জেলেকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয় তারা।
এতে করে অপহৃতের পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্বজনরা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে জেলেকে জীবিত উদ্ধারের দাবি জানান।
এদিকে স্থানীয় জেলেরা জানান, সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদীতে শিকারের কাজে গেলে প্রায়ই দস্যুদের মুখোমুখি হতে হয়। তারা জেলেদে
সাতক্ষীরার সুন্দরবনের অভ্যন্তরে শিকারের সময় এক জেলেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কুখ্যাত ‘নানা ভাই’ বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার কথা বলছেন স্থানীয়রা। এতে উপকূলীয় জেলে পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে কলাগাছিয়া স্টেশন সংলগ্ন বাদুরঝুলি খালে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও জেলের পরিবারে সূত্রে জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরাগ্রামের এক জেলে শনিবার বিকেলে সুন্দরবনের বাদুরঝুলি খালে মাছ ধরছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে অস্ত্রধারী একদল দস্যু তাকে জিম্মি করে তুলে নিয়ে যায়।
অপহরণের পরপরই দস্যু চক্রটি ‘নানা ভাই’ বাহিনীর পরিচয়ে জেলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে জেলেকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেয় তারা।
এতে করে অপহৃতের পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। স্বজনরা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে জেলেকে জীবিত উদ্ধারের দাবি জানান।
এদিকে স্থানীয় জেলেরা জানান, সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদীতে শিকারের কাজে গেলে প্রায়ই দস্যুদের মুখোমুখি হতে হয়। তারা জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে, এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ফলে জীবিকার তাগিদে বনে যেতে বাধ্য হলেও প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে তাদের।
তবে এ বিষয়ে এখনো বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা।
উল্লেখ্য, অতীতে সুন্দরবনে দস্যু দমনে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হলেও মাঝে মাঝে বিচ্ছিন্নভাবে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনা সামনে আসছে, যা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।