সুন্দরবনের নৌযান ধর্মঘট প্রত্যাহার, পর্যটক চলাচল স্বাভাবিক
সুন্দরবনের পর্যটকবাহী নৌযান মালিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, মোংলা-রামপাল সার্কেলের পুলিশ সুপার রিফাতুল ইসলাম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে নৌযান মালিকরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন। ফলে বুধবার(৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে পর্যটকরা মোংলা থেকে নদীপথে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্পটে নৌযানে করে যাওয়া শুরু করেছেন।এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ডিজি শিপিংয়ের (নৌপরিবহন অধিদপ্তর) হয়রানির প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেন নৌযান মালিকরা। সেই প্রেক্ষিতে ডিজি শিপিংয়ের কর্মকর্তারা নৌযান মালিকদের পূর্ব থেকে নোটিশ ছাড়া কোনো অভিযান পরিচালনা ও হয়রানি করবে না বলে আশ্বস্ত করেন স্থানীয় প্রশাসন। যার ফলে নৌযান মালিকেরা তাদের চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, মোংলায় পর্যটকবাহী ৪০০ জালিবোট রয়েছে। প্রতিটি বোটের ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য কাগজপত্র রয়েছে। তারপরও হঠাৎ করে সোমবার অভিযান চালিয়ে তা
সুন্দরবনের পর্যটকবাহী নৌযান মালিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, মোংলা-রামপাল সার্কেলের পুলিশ সুপার রিফাতুল ইসলাম ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীনুর রহমানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে নৌযান মালিকরা তাদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন।
ফলে বুধবার(৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে পর্যটকরা মোংলা থেকে নদীপথে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্পটে নৌযানে করে যাওয়া শুরু করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ডিজি শিপিংয়ের (নৌপরিবহন অধিদপ্তর) হয়রানির প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেন নৌযান মালিকরা। সেই প্রেক্ষিতে ডিজি শিপিংয়ের কর্মকর্তারা নৌযান মালিকদের পূর্ব থেকে নোটিশ ছাড়া কোনো অভিযান পরিচালনা ও হয়রানি করবে না বলে আশ্বস্ত করেন স্থানীয় প্রশাসন। যার ফলে নৌযান মালিকেরা তাদের চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেয়।
মোংলা বন্দর যন্ত্রচালিত মাঝিমাল্লা সংঘের সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, মোংলায় পর্যটকবাহী ৪০০ জালিবোট রয়েছে। প্রতিটি বোটের ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য কাগজপত্র রয়েছে। তারপরও হঠাৎ করে সোমবার অভিযান চালিয়ে তাঁদের অন্তত ৩০টি জালিবোটের ওপরের অংশের অবকাঠামো কেটে ও ভেঙে সেসব মালামাল নিয়ে যায় নৌপরিবহন অধিদপ্তর (খুলনা)। এতে বোটের সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্যে বসার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
এর প্রতিবাদে নৌযান মালিকেরা সোমবার ভোর থেকে ধর্মঘটের ডাক দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে মঙ্গলবার রাতে এ ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ফলে বুধবার সকাল থেকেই সুন্দরবনে নৌযানে করে পর্যটকরা যেতে পারছেন।
What's Your Reaction?