সেই ইউএনওর সঙ্গে হান্নান মাসউদের স্ত্রীকে জড়িয়ে ফটোকার্ড, যা জানা গেল

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউএনও আলাউদ্দিনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নতুন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ-এর স্ত্রীকে জড়িয়ে একটি মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়, যা পরে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়, “আমার বউয়ের সঙ্গে হাতিয়ার ইউএনওর অপ্রীতিকর ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে বলে যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে”—এমন মন্তব্য করেছেন হান্নান মাসউদ। একটি ফটোকার্ডের মাধ্যমে এ বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, হান্নান মাসউদ এমন কোনো মন্তব্য করেননি। যাচাইয়ে দেখা যায়, একটি ব্যঙ্গাত্মক (স্যাটায়ার) ফেসবুক পেজের পোস্টকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ‘গুপ্ত টেলিভিশন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে গত ২৪ মার্চ উক্ত ফটোকার্ডটি প্রকাশ করা হয়। পেজটির পরিচিতিতেই উল্লেখ রয়েছে, এটি একটি স্যাটায়ার ও প্যারোডি প্ল্যাটফর্ম এবং এর সব কনটেন্ট শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি। এছাড়

সেই ইউএনওর সঙ্গে হান্নান মাসউদের স্ত্রীকে জড়িয়ে ফটোকার্ড, যা জানা গেল

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউএনও আলাউদ্দিনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নতুন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ-এর স্ত্রীকে জড়িয়ে একটি মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়, যা পরে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়, “আমার বউয়ের সঙ্গে হাতিয়ার ইউএনওর অপ্রীতিকর ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে বলে যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে”—এমন মন্তব্য করেছেন হান্নান মাসউদ। একটি ফটোকার্ডের মাধ্যমে এ বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।

তবে ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার-এর অনুসন্ধানে জানা গেছে, হান্নান মাসউদ এমন কোনো মন্তব্য করেননি। যাচাইয়ে দেখা যায়, একটি ব্যঙ্গাত্মক (স্যাটায়ার) ফেসবুক পেজের পোস্টকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে প্রচার করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ‘গুপ্ত টেলিভিশন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে গত ২৪ মার্চ উক্ত ফটোকার্ডটি প্রকাশ করা হয়। পেজটির পরিচিতিতেই উল্লেখ রয়েছে, এটি একটি স্যাটায়ার ও প্যারোডি প্ল্যাটফর্ম এবং এর সব কনটেন্ট শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কোনো গণমাধ্যম বা বিশ্বস্ত সূত্রে দাবিটির পক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হান্নান মাসউদের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলেও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফলে নিশ্চিত হওয়া যায়, তাকে উদ্ধৃত করে প্রচারিত মন্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow