সেই শাকিবই এখন ঢালিউডের ত্রাতা

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের এক যুগ আগের একটি পুরোনো পত্রিকা কাটিং ভাইরাল হয়েছে। ‘বিনিয়োগকারীরা দেউলিয়া, লাভবান শুধু শাকিব খান’—এমন কড়া শিরোনামের সেই প্রতিবেদনটি ২০১১-১২ সালের প্রেক্ষাপটে লেখা। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, শাকিবের আকাশচুম্বী পারিশ্রমিকের চাপে প্রযোজকরা দিশেহারা এবং তার ছবির বাজার মন্দা। তবে এক যুগ পর আজকের বাস্তবতা সেই সময়কার ভবিষ্যৎবাণীকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে। ২০১১ সালের সেই ‘ব্যর্থতা’র পরিসংখ্যান ভাইরাল হওয়া সেই প্রতিবেদনে ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিব খানের ১৩টি ছবির একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, ‘মনের জ্বালা’ (৪০ লাখ), ‘কিং খান’ (৮০ লাখ) বা ‘মনের ঘরে বসত করে’ (৭০ লাখ)-এর মতো ছবিগুলো ব্যবসায়িকভাবে লাভের মুখ দেখেনি। এমনকি সেই সময়কার চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, শাকিব খানের উচ্চ পারিশ্রমিক ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছিল। অতীত বনাম বর্তমান: ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখি ২০১২ সালের সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘শাকিবের ছবির বাজার মন্দা’ এবং প্রযোজকরা হতাশ। কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। সেই সময়কার ‘মন্দা’

সেই শাকিবই এখন ঢালিউডের ত্রাতা
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের এক যুগ আগের একটি পুরোনো পত্রিকা কাটিং ভাইরাল হয়েছে। ‘বিনিয়োগকারীরা দেউলিয়া, লাভবান শুধু শাকিব খান’—এমন কড়া শিরোনামের সেই প্রতিবেদনটি ২০১১-১২ সালের প্রেক্ষাপটে লেখা। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, শাকিবের আকাশচুম্বী পারিশ্রমিকের চাপে প্রযোজকরা দিশেহারা এবং তার ছবির বাজার মন্দা। তবে এক যুগ পর আজকের বাস্তবতা সেই সময়কার ভবিষ্যৎবাণীকে সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণ করেছে। ২০১১ সালের সেই ‘ব্যর্থতা’র পরিসংখ্যান ভাইরাল হওয়া সেই প্রতিবেদনে ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিব খানের ১৩টি ছবির একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, ‘মনের জ্বালা’ (৪০ লাখ), ‘কিং খান’ (৮০ লাখ) বা ‘মনের ঘরে বসত করে’ (৭০ লাখ)-এর মতো ছবিগুলো ব্যবসায়িকভাবে লাভের মুখ দেখেনি। এমনকি সেই সময়কার চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, শাকিব খানের উচ্চ পারিশ্রমিক ইন্ডাস্ট্রিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছিল। অতীত বনাম বর্তমান: ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখি ২০১২ সালের সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘শাকিবের ছবির বাজার মন্দা’ এবং প্রযোজকরা হতাশ। কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। সেই সময়কার ‘মন্দা’ কাটিয়ে শাকিব খান নিজেকে কেবল টিকিয়েই রাখেননি, বরং গত কয়েক বছরে ‘প্রিয়তমা’ বা ‘তুফান’-এর মতো ছবির মাধ্যমে ঢালিউডকে কয়েক শ কোটি টাকার ব্যবসার মুখ দেখিয়েছেন। ১২ বছর আগে যে নায়ককে ‘ইন্ডাস্ট্রির বোঝা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল, আজ সেই নায়কই বিশ্ববাজারে বাংলা সিনেমার প্রধান কাণ্ডারি। কেন এই বিবর্তন? চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মতে, ২০১১-১২ সালের দিকে শাকিব খান সংখ্যায় অনেক বেশি ছবি করতেন, যার মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে তিনি তাঁর কাজের ধরন বদলেছেন। এখন তিনি বছরে ডজনখানেক ছবি না করে অল্প কিছু বড় বাজেটের ও মানসম্মত কাজ করছেন। ফলে বিনিয়োগকারীরা এখন আর ‘দেউলিয়া’ হচ্ছেন না, বরং শাকিব খানের ছবির ওপর বাজি ধরে রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা ঘরে তুলছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া পুরোনো সেই প্রতিবেদনটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে হাসির রোল পড়েছে। ভক্তদের দাবি, সেই সময় যারা শাকিবকে নিয়ে নেতিবাচক সমালোচনা করেছিলেন, আজ শাকিবের অভাবনীয় সাফল্য তাদের যোগ্য জবাব দিচ্ছে। ভাইরাল হওয়া সেই প্রতিবেদনে শাকিবের পারিশ্রমিক নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলেও, বর্তমানে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া বাংলা অভিনেতা। এক যুগ আগের সেই ‘হতাশ প্রযোজক’দের শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে শাকিব খান আজ এক অনন্য উচ্চতায়, যেখানে তিনি নিজেই এখন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow