সেঞ্চুরিতে মুশফিকের আরো এক নতুন ইতিহাস

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিম এবার গড়লেন আরেক অনন্য রেকর্ড। এই শতকের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটারের ১৬ হাজার রানের রেকর্ড নেই। সব ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড আগে থেকেই ছিল মুশফিকুর রহিমের। সিলেট টেস্টে তার সামনে সুযোগ ছিল আরেক কীর্তি গড়ার। সুযোগ হাতছাড়া করেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ২৩ রান করা মুশফিক দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে থাকেন আপনতালে। তৃতীয় দিনের চা বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ৯০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাতেই ছাড়িয়েছেন ১৬ হাজার রান। বর্তমানে মুশফিকের আন্তর্জাতিক রান সংখ্যা ১৬ হাজার ১১। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তার অবস্থান এক নম্বরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকের রয়েছে ২২টি সেঞ্চুরি ও ৮৫টি ফিফটি। তার গড় প্রায় ৩৫। মুশফিকুর রহিম খেলেছেন মোট ৪৭৮টি ম্যাচ। রান সংগ্রাহকের তালিকায় মুশফিকের পরেই অবস্থান তামিম ইকবালের। ৩৮৭ ম্যাচে তামিম করেছেন ১৫ হাজার ১৯২ রান। ৩৫.৪৫

সেঞ্চুরিতে মুশফিকের আরো এক নতুন ইতিহাস

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিম এবার গড়লেন আরেক অনন্য রেকর্ড। এই শতকের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বাংলাদেশের আর কোনো ক্রিকেটারের ১৬ হাজার রানের রেকর্ড নেই।

সব ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড আগে থেকেই ছিল মুশফিকুর রহিমের। সিলেট টেস্টে তার সামনে সুযোগ ছিল আরেক কীর্তি গড়ার। সুযোগ হাতছাড়া করেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ২৩ রান করা মুশফিক দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে থাকেন আপনতালে। তৃতীয় দিনের চা বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ৯০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাতেই ছাড়িয়েছেন ১৬ হাজার রান।

বর্তমানে মুশফিকের আন্তর্জাতিক রান সংখ্যা ১৬ হাজার ১১। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তার অবস্থান এক নম্বরে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকের রয়েছে ২২টি সেঞ্চুরি ও ৮৫টি ফিফটি। তার গড় প্রায় ৩৫। মুশফিকুর রহিম খেলেছেন মোট ৪৭৮টি ম্যাচ।

রান সংগ্রাহকের তালিকায় মুশফিকের পরেই অবস্থান তামিম ইকবালের। ৩৮৭ ম্যাচে তামিম করেছেন ১৫ হাজার ১৯২ রান। ৩৫.৪৫ গড়ে খেলা তামিমের ঝুঁলিতে আছে ২৫টি সেঞ্চুরি ও ৯৪টি ফিফটি। এছাড়া সাকিব আল হাসান ১৪ হাজার ৭৩০, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১ হাজার ৪৭ ও লিটন কুমার দাস করেছেন ৮ হাজার ৮৪১ রান।

উল্লেখ্য, সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২৩২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। এখন নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে টাইগাররা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow