সেরাদের তালিকায় ব্রাজিলের তিন গোলরক্ষক, নেই কোনো আর্জেন্টাইন
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে অসংখ্য কিংবদন্তি গোলরক্ষক নিজেদের দক্ষতার ছাপ রেখে গেছেন। কেউ শিরোপা জিতিয়েছেন, কেউ আবার অসাধারণ সব সেভে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন। তবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ক্লিনশিটের রেকর্ডধারীদের তালিকায় চোখ রাখলে একটি বিষয় বেশ অবাকই করবে—ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনার কোনো গোলরক্ষকের নাম নেই সেখানে। অথচ ব্রাজিলের রয়েছে দুই কিংবদন্তি গোলরক্ষকের উপস্থিতি। ক্লিনশিটের বিচারে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলরক্ষকদের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন ফ্রান্সের ফাবিয়েন বার্তেজ ও ইংল্যান্ডের পিটার শিলটন। দুজনই ১৭টি ম্যাচ খেলে ১০টি করে ক্লিনশিট রেখেছেন। বার্তেজ তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৯৮, ২০০২ ও ২০০৬) অংশ নিয়ে এই কীর্তি গড়েন। ১৯৯৮ সালে পাঁচটি এবং ২০০৬ সালে চারটি ক্লিনশিট ছিল তার ঝুলিতে। অন্যদিকে শিলটন খেলেছেন তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৮২, ১৯৮৬ ও ১৯৯০)। ১৯৮২ সালে চারটি এবং পরের দুই আসরে তিনটি করে ক্লিনশিট রাখেন তিনি। ৮টি ক্লিনশিট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন নেদারল্যান্ডসের ইয়ান ইয়ংব্লুড (১২ ম্যাচ), ব্রাজিলের লিয়াও (১৪ ম্যাচ), পশ্চিম জার্মানির সেপ মায়ার (১৮ ম্যাচ), ব্রাজিলের ক্লদিও তাফারেল (১৮ ম্যাচ) এবং
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে অসংখ্য কিংবদন্তি গোলরক্ষক নিজেদের দক্ষতার ছাপ রেখে গেছেন। কেউ শিরোপা জিতিয়েছেন, কেউ আবার অসাধারণ সব সেভে দলকে এগিয়ে নিয়েছেন। তবে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ক্লিনশিটের রেকর্ডধারীদের তালিকায় চোখ রাখলে একটি বিষয় বেশ অবাকই করবে—ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনার কোনো গোলরক্ষকের নাম নেই সেখানে। অথচ ব্রাজিলের রয়েছে দুই কিংবদন্তি গোলরক্ষকের উপস্থিতি।
ক্লিনশিটের বিচারে বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা গোলরক্ষকদের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন ফ্রান্সের ফাবিয়েন বার্তেজ ও ইংল্যান্ডের পিটার শিলটন। দুজনই ১৭টি ম্যাচ খেলে ১০টি করে ক্লিনশিট রেখেছেন।
বার্তেজ তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৯৮, ২০০২ ও ২০০৬) অংশ নিয়ে এই কীর্তি গড়েন। ১৯৯৮ সালে পাঁচটি এবং ২০০৬ সালে চারটি ক্লিনশিট ছিল তার ঝুলিতে। অন্যদিকে শিলটন খেলেছেন তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৮২, ১৯৮৬ ও ১৯৯০)। ১৯৮২ সালে চারটি এবং পরের দুই আসরে তিনটি করে ক্লিনশিট রাখেন তিনি।
৮টি ক্লিনশিট নিয়ে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন নেদারল্যান্ডসের ইয়ান ইয়ংব্লুড (১২ ম্যাচ), ব্রাজিলের লিয়াও (১৪ ম্যাচ), পশ্চিম জার্মানির সেপ মায়ার (১৮ ম্যাচ), ব্রাজিলের ক্লদিও তাফারেল (১৮ ম্যাচ) এবং ফ্রান্সের উগো লরিস (২০ ম্যাচ)।
এখানেই বিশেষভাবে চোখে পড়ে ব্রাজিলের উপস্থিতি। লিয়াও ও তাফারেল—দুই ভিন্ন প্রজন্মের দুই কিংবদন্তি গোলরক্ষক রয়েছেন বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ক্লিনশিটধারীদের তালিকায়। তাফারেল ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দলের অন্যতম নায়ক ছিলেন, আর লিয়াও ১৯৭০-এর দশকে ব্রাজিলের গোলপোস্ট সামলেছেন দারুণ সাফল্যের সঙ্গে।
ব্রাজিলের লিয়াও দুটি বিশ্বকাপে (১৯৭৪ ও ১৯৭৮) চারটি করে ক্লিনশিট করেছিলেন। আর তাফারেল তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৯০, ১৯৯৪ ও ১৯৯৮) খেলেন, যার মধ্যে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপজয়ী অভিযানে একাই পাঁচটি ক্লিনশিট ছিল তার।
৭টি ক্লিনশিট নিয়ে পরের ধাপে রয়েছেন ব্রাজিলের গিলমার, বেলজিয়ামের থিবো কোর্তোয়া, উরুগুয়ের ফার্নান্দো মুসলেরা, স্পেনের ইকার ক্যাসিয়াস এবং জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার।
গিলমার তিনটি বিশ্বকাপে (১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৬৬) অংশ নিয়ে সাতটি ক্লিনশিট করেন এবং ব্রাজিলের টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন তিনি। কোর্তোয়া তিন বিশ্বকাপে ১৫ ম্যাচ খেলে সাতটি ক্লিনশিট রেখেছেন। মুসলেরা চারটি বিশ্বকাপে ১৬ ম্যাচে সাতটি, ক্যাসিয়াস চারটি বিশ্বকাপে ১৭ ম্যাচে সাতটি এবং নয়্যার চারটি বিশ্বকাপে ১৯ ম্যাচে সাতটি ক্লিনশিট করেছেন।
তালিকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, আর্জেন্টিনার কোনো গোলরক্ষকই শীর্ষ ১০ ক্লিনশিটধারীর মধ্যে নেই। অথচ বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সফল দল আর্জেন্টিনা তিনবার শিরোপা জিতেছে। অন্যদিকে ব্রাজিলের তিনজন গোলরক্ষক—লিয়াও, তাফারেল ও গিলমার—এই অভিজাত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।
What's Your Reaction?