সৈয়দপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ১২

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে যানজট নিরসনে পরিচালিত ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পৌরসভার কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করলে প্রায় ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৈয়দপুর পৌরসভার প্রশাসকের নির্দেশে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পৌরসভা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মচারীরা অবৈধ স্থাপনা এবং ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দোকান উচ্ছেদ করতে গেলে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নিলে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অভিযানের সময় কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মালামাল ভাঙচুর করা হয় এবং তাদের তিনজন দোকানদারকে জোরপূর্বক পৌরসভা কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখা হয়। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে শ

সৈয়দপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ১২

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে যানজট নিরসনে পরিচালিত ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পৌরসভার কর্মচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা শহরের প্রধান সড়ক অবরোধ করলে প্রায় ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৈয়দপুর পৌরসভার প্রশাসকের নির্দেশে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পৌরসভা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মচারীরা অবৈধ স্থাপনা এবং ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দোকান উচ্ছেদ করতে গেলে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এর একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় রূপ নিলে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অভিযানের সময় কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মালামাল ভাঙচুর করা হয় এবং তাদের তিনজন দোকানদারকে জোরপূর্বক পৌরসভা কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখা হয়। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা একজোট হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে অবস্থান নিয়ে তাৎক্ষণিক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।

ব্যবসায়ীদের আকস্মিক এ অবরোধের কারণে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে যাত্রী, পথচারী ও দূরপাল্লার পরিবহন চালকদের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয় এবং শহরের চারপাশের লিংক রোডগুলোতেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে পৌরসভার কর্মচারী আবু সায়িদ বলেন, পৌরসভার নির্দেশনা অনুযায়ী, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। অভিযানের সময় কিছু ব্যবসায়ী বাধা দিলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা শেষে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, শহরের যানজট নিরসন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে ফুটপাত দখলমুক্তকরণ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা বাধা দিচ্ছেন।

আমিরুল হক/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow