সোনা লুটের অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক-ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী বহিষ্কার
দিনাজপুরের বিরামপুরে এক ব্যবসায়ীর সোনা লুটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ছয় নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ( ২৮ এপ্রিল) রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- স্বেচ্ছাসেবক দলের বিরামপুর পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আশিক, ছাত্রদলের বিরামপুর পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান ও সদস্য সাগর রহমান, বিরামপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মী আল রেহমান, মো. সানি ও আরিফুল ইসলাম। দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে, গত সোমবার ফুলবাড়ীর ‘মিষ্টি জুয়েলার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মানিক দত্ত বিরামপুর থেকে কাজ শেষে ফেরার পথে দুর্গাপুর এলাকায় দস্যুতার শিকার হন। দুইটি মোটরসাইকেলে আসা একদল যুবক চাপাতির ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে সোয়া ৮ ভরি ওজনের স্বর্ণের পাত এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে স্বেচ্ছ
দিনাজপুরের বিরামপুরে এক ব্যবসায়ীর সোনা লুটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ছয় নেতাকর্মীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ( ২৮ এপ্রিল) রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের পক্ষ থেকে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বহিষ্কৃতরা হলেন- স্বেচ্ছাসেবক দলের বিরামপুর পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আশিক, ছাত্রদলের বিরামপুর পৌর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান ও সদস্য সাগর রহমান, বিরামপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কর্মী আল রেহমান, মো. সানি ও আরিফুল ইসলাম।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সুনির্দিষ্ট শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এর আগে, গত সোমবার ফুলবাড়ীর ‘মিষ্টি জুয়েলার্স’-এর স্বত্বাধিকারী মানিক দত্ত বিরামপুর থেকে কাজ শেষে ফেরার পথে দুর্গাপুর এলাকায় দস্যুতার শিকার হন। দুইটি মোটরসাইকেলে আসা একদল যুবক চাপাতির ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে সোয়া ৮ ভরি ওজনের স্বর্ণের পাত এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আশিকসহ চারজনকে গ্রেফতার করে।
আটককৃতরা হলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের বিরামপুর পৌরশাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরশহরের কল্যাণপুর মহল্লার রিয়াজুল ইসলাম ওরফে শিয়ালুর ছেলে মো. আশিক (২৬), বিরামপুরের পূর্বপাড়া মহল্লার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আল রেহমান ওরফে অরণ্য (২০), শিমুলতলী মহল্লার লুৎফর রহমানের ছেলে সাগর রহমান (২৪) ও প্রফেসরপাড়ার মোতালেব হোসেনের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২০)। তারা সবাই ছাত্রদলের সক্রিয় সদস্য।
পলাতক আসামিরা হলেন, বিরামপুর পৌরশহরের ইসলামপাড়ার সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. সানি (১৯)। তিনি ছাত্রদলের বিরামপুর সরকারি কলেজ শাখার সদস্য। বিরামপুর পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত (২৫) ও উপজেলার ৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সোহেল রানা (৪২)।
সোনা লুটের বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, গতকাল মামলার পর চারজনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তবে এখনো লুট হওয়া সোনা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
মো. মাহাবুর রহমান/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?