সোনারগাঁয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী শান্তিনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে রাসেল গ্রুপ ও আব্দুল হামিদ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুপুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোনারগাঁও থানার ওসি জানান, খবর পাও
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী শান্তিনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে রাসেল গ্রুপ ও আব্দুল হামিদ গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সকালে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুপুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়।
আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
খবর পেয়ে সোনারগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তী সহিংসতা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সোনারগাঁও থানার ওসি জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে একই এলাকায় বারবার এ ধরনের সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধান এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
What's Your Reaction?