সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু
মধ্যপাচ্যের দেশ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রুবেল আহমদ (২১) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম। এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যার পর সৌদি আরবের নাজরান ইয়াদামা আজিজিয়া সড়কে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাজিরের চক এলাকার মৃত রইছ আলীর একমাত্র ছেলে। নিহত রুবেলের মামা আমিন মিয়া বলেন, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন রুবেল। পথিমধ্যে দ্রুতগামী একটি গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দরিদ্র পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার আশায় প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান রুবেল আহমদ। বুধবার মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার প্রাণ। তার মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার স্বজনরা। বাকরুদ্ধ পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের পক্ষ থেকে রুবেলের মরদেহ
মধ্যপাচ্যের দেশ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় রুবেল আহমদ (২১) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম।
এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যার পর সৌদি আরবের নাজরান ইয়াদামা আজিজিয়া সড়কে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাজিরের চক এলাকার মৃত রইছ আলীর একমাত্র ছেলে।
নিহত রুবেলের মামা আমিন মিয়া বলেন, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন রুবেল। পথিমধ্যে দ্রুতগামী একটি গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দরিদ্র পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার আশায় প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান রুবেল আহমদ। বুধবার মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার প্রাণ। তার মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছালে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার স্বজনরা। বাকরুদ্ধ পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের পক্ষ থেকে রুবেলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে রুবেলের পিতা মারা যান। পরিবারে রুবেল ছাড়াও তার দুই বোন রয়েছে। অনেক দেনা করে তাকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। সংসারে হাল ধরার মতো আর কেউ নেই তাদের। আমরা চেষ্টা করছি তার মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করতে।
What's Your Reaction?