সৌদি প্রবাসীদের বড় দুঃসংবাদ, এক সপ্তাহে ১৭৩৬৮ বহিষ্কার 

অবৈধ বসবাস, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহে ১৭ হাজার ৩৬৮ জন প্রবাসীকে বহিষ্কার করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৬ এপ্রিল থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যৌথ অভিযানে মোট ১২ হাজার ১৯২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে ৬ হাজার ৬০৬ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৫১০ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ২ হাজার ৭৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক হন। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৪৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক, এছাড়া কিছু ইয়েমেনি নাগরিকও রয়েছে। একই সময়ে অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টা করায় আরও ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বহিষ্কারের পাশাপাশি ২০ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও অনেককে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ৩৩ হাজারের বেশি প্রবাসী এই অভিযানের আওতায় আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আইন লঙ্ঘনে সহায়তার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যারা অবৈধ প্রবেশ, অবস্থান বা

সৌদি প্রবাসীদের বড় দুঃসংবাদ, এক সপ্তাহে ১৭৩৬৮ বহিষ্কার 

অবৈধ বসবাস, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহে ১৭ হাজার ৩৬৮ জন প্রবাসীকে বহিষ্কার করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৬ এপ্রিল থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যৌথ অভিযানে মোট ১২ হাজার ১৯২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে ৬ হাজার ৬০৬ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৫১০ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ২ হাজার ৭৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক হন।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১ হাজার ৪৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক, এছাড়া কিছু ইয়েমেনি নাগরিকও রয়েছে। একই সময়ে অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টা করায় আরও ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বহিষ্কারের পাশাপাশি ২০ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও অনেককে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ৩৩ হাজারের বেশি প্রবাসী এই অভিযানের আওতায় আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আইন লঙ্ঘনে সহায়তার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যারা অবৈধ প্রবেশ, অবস্থান বা কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা এবং ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি জব্দ করার মতো শাস্তির বিধান রয়েছে।

সূত্র: Gulf News.

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow