সৌদিতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
সৌদিতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। রাজধানী রিয়াদকে এসব হামলায় নিশানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ লক্ষ্য করে ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এরমধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। বাকি চারটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকা অথবা উপসাগরীয় জলসীমায় গিয়ে পড়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের প্রতি জারি করা চূড়ান্ত সময়সীমা আরও ১০ দিন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে এমন দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিজের এই সিদ্ধান্প্রতের কথা জানান তিনি। ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ইরান সরকারের অনুরোধে জ্বালানি স্থাপনা ধ্বংসের সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করছি। নতুন সময়সীমা সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম) পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরমধ্যেই ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে। তার দাবি, ফেক নিউজ-এর প্রচারণা সত্ত্বেও আলোচনায় অগ
সৌদিতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। রাজধানী রিয়াদকে এসব হামলায় নিশানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ লক্ষ্য করে ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এরমধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। বাকি চারটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকা অথবা উপসাগরীয় জলসীমায় গিয়ে পড়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের প্রতি জারি করা চূড়ান্ত সময়সীমা আরও ১০ দিন বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে এমন দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিজের এই সিদ্ধান্প্রতের কথা জানান তিনি।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ইরান সরকারের অনুরোধে জ্বালানি স্থাপনা ধ্বংসের সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করছি। নতুন সময়সীমা সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, রাত ৮টা (ইস্টার্ন টাইম) পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরমধ্যেই ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে। তার দাবি, ফেক নিউজ-এর প্রচারণা সত্ত্বেও আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বড় ধরনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন ইরানের সাথে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার পথ খুঁজছেন, ঠিক সেই সময়ে নিজের হাতে আরও শক্তিশালী সামরিক বিকল্প রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল সৈন্য বহর পাঠানোর মূল লক্ষ্য হলো তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টি করা।
What's Your Reaction?