সৌদিতে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে পৃথক দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দুই প্রবাসী নিহত হয়েছেন।  বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রিয়াদ শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সাফির উদ্দিন (৫৭)। এর আগে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মক্কা নগরীতে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন হৃদয় মিয়া (২২) নামে এক যুবক। নিহত সাফির উদ্দিন কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ঘিলাকান্দি গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে। অপরদিকে হৃদয় মিয়া একই উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের জামাল মিয়ার একমাত্র সন্তান। সাফিরের আত্মীয় দিদারুল আলম রাসেল জানান, সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় ২০ বছর আগে সাফির উদ্দিন সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার মসজিদে ইফতার শেষে বাসায় ফেরার পথে পেছন থেকে একটি লরি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার রুমমেট মোবাইল ফোনে দুর্ঘটনার সংবাদটি বাড়িতে জানান। নিহত সাফির উদ্দিনের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। অন্যদিকে নিহত হৃদয় মিয়ার মামা মনির ফরাজী জানান, জীবিকার তাগিদে এক বছর আগে হৃদয় দেশ ছেড়ে বিদেশে যান। সেখানে তিনি নির্মাণ

সৌদিতে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে পৃথক দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দুই প্রবাসী নিহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রিয়াদ শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সাফির উদ্দিন (৫৭)। এর আগে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মক্কা নগরীতে পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন হৃদয় মিয়া (২২) নামে এক যুবক।

নিহত সাফির উদ্দিন কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ঘিলাকান্দি গ্রামের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে। অপরদিকে হৃদয় মিয়া একই উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের জামাল মিয়ার একমাত্র সন্তান।

সাফিরের আত্মীয় দিদারুল আলম রাসেল জানান, সংসারের সচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় ২০ বছর আগে সাফির উদ্দিন সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানে তিনি শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার মসজিদে ইফতার শেষে বাসায় ফেরার পথে পেছন থেকে একটি লরি তাকে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার রুমমেট মোবাইল ফোনে দুর্ঘটনার সংবাদটি বাড়িতে জানান। নিহত সাফির উদ্দিনের স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে নিহত হৃদয় মিয়ার মামা মনির ফরাজী জানান, জীবিকার তাগিদে এক বছর আগে হৃদয় দেশ ছেড়ে বিদেশে যান। সেখানে তিনি নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার সকালে পাঁচতলা ভবনের ছাদে রডের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হৃদয়ের ফুফাতো ভাই বিল্লাহ মিয়া মোবাইল ফোনে এ মৃত্যুসংবাদ পরিবারকে জানান।

সাফির উদ্দিন ও হৃদয় মিয়ার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য স্বজন ও এলাকাবাসী সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow