সৌদিতে হুথিদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত আরামকোর তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো জাজান তেল শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিল্প পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আইআরের এক স্মারকের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দৈনিক ৪ লাখ ব্যারেল উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন জাজান শোধনাগারটি বন্ধ করা হয়। হামলায় শোধনাগারটির সমন্বিত কম্পোজিট গ্যাসিফিকেশন কমপ্লেক্স এবং তেল সংরক্ষণ ট্যাংক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ওই স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে। আরামকো জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে আগামী ১৫ আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে শোধনাগারটির কার্যক্রম পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং পরে রয়টার্সের যাচাই করা একটি ভিডিওতে জাজান শোধনাগার এলাকা থেকে ঘন ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। এর আগে শনিবার হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি দাবি করেন, তাদের বাহিনী সৌদি আরামকোর জিজান ও ইয়ানবুর স্থাপনাগুলো সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। তার দাবি, এ হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্

সৌদিতে হুথিদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত আরামকোর তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা
ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো জাজান তেল শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিল্প পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আইআরের এক স্মারকের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত ২৭ জুলাই দৈনিক ৪ লাখ ব্যারেল উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন জাজান শোধনাগারটি বন্ধ করা হয়। হামলায় শোধনাগারটির সমন্বিত কম্পোজিট গ্যাসিফিকেশন কমপ্লেক্স এবং তেল সংরক্ষণ ট্যাংক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ওই স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে। আরামকো জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে আগামী ১৫ আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে শোধনাগারটির কার্যক্রম পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং পরে রয়টার্সের যাচাই করা একটি ভিডিওতে জাজান শোধনাগার এলাকা থেকে ঘন ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। এর আগে শনিবার হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি দাবি করেন, তাদের বাহিনী সৌদি আরামকোর জিজান ও ইয়ানবুর স্থাপনাগুলো সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। তার দাবি, এ হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে দ্বিতীয় একটি সংকটময় ফ্রন্ট তৈরি হয়েছে। সূত্র : আল জাজিরা 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow