স্কিন ফাস্টিং কী, ত্বকের যে উপকার করে

পেটকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য হালকা খাবার বা মাঝে মাঝে ফাস্টিং করা এখন পরিচিত অভ্যাস। কিন্তু শুধু শরীরের কথা ভাবলেই হবে না-ত্বকেরও একদিনের বিশ্রাম দরকার। এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে স্কিন ফাস্টিং, যেখানে একদিন ত্বককে সব ধরনের প্রসাধনী থেকে বিরতি দেওয়া হয়। স্কিন ফাস্টিং কেন প্রয়োজনদৈনন্দিন জীবনে ত্বক ধুলো, ধোঁয়া এবং দূষণের সংস্পর্শে আসে। তার উপর নানা রকম প্রসাধনী ব্যবহার করার কারণে ত্বকের উপর চাপ বেড়ে যায়। ত্বক নিজে থেকেই ক্ষত সারাতে পারে এবং তেল উৎপাদন ক্ষমতা রাখে। কিন্তু ক্রমাগত প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বক এই ক্ষমতাগুলো হারাতে শুরু করে। প্রসাধনীর সঙ্গে মিশে ঘাম, তেল ও দূষণ ত্বকের সমস্যা বাড়ায়। তাই মাঝে মাঝে ত্বককে নিজের মতো ছেড়ে দেওয়া জরুরি। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অটুট থাকে এবং ত্বক পুনরুজ্জীবিত হয়। স্কিন ফাস্টিং করবেন যেভাবে২৪ ঘণ্টা ত্বকে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না। ৭-১৪ দিনের ব্যবধানে এটি করা যেতে পারে। এই সময়ে এক্সফোলিয়েটর, পিল-অফ মাস্ক, ক্লে মাস্ক, ভিটামিন সি বা রেটিনল-এর মতো পণ্য ব্যবহার করবেন না। মূলত এই সময় ত্বকের কোনো যত্ন নেওয়া নয়, বরং লাইফস্টাইলের দিকে মন দিন।

স্কিন ফাস্টিং কী, ত্বকের যে উপকার করে

পেটকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য হালকা খাবার বা মাঝে মাঝে ফাস্টিং করা এখন পরিচিত অভ্যাস। কিন্তু শুধু শরীরের কথা ভাবলেই হবে না-ত্বকেরও একদিনের বিশ্রাম দরকার। এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে স্কিন ফাস্টিং, যেখানে একদিন ত্বককে সব ধরনের প্রসাধনী থেকে বিরতি দেওয়া হয়।

স্কিন ফাস্টিং কেন প্রয়োজন
দৈনন্দিন জীবনে ত্বক ধুলো, ধোঁয়া এবং দূষণের সংস্পর্শে আসে। তার উপর নানা রকম প্রসাধনী ব্যবহার করার কারণে ত্বকের উপর চাপ বেড়ে যায়। ত্বক নিজে থেকেই ক্ষত সারাতে পারে এবং তেল উৎপাদন ক্ষমতা রাখে। কিন্তু ক্রমাগত প্রসাধনী ব্যবহারে ত্বক এই ক্ষমতাগুলো হারাতে শুরু করে। প্রসাধনীর সঙ্গে মিশে ঘাম, তেল ও দূষণ ত্বকের সমস্যা বাড়ায়। তাই মাঝে মাঝে ত্বককে নিজের মতো ছেড়ে দেওয়া জরুরি। এতে ত্বকের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অটুট থাকে এবং ত্বক পুনরুজ্জীবিত হয়।

frty

স্কিন ফাস্টিং করবেন যেভাবে
২৪ ঘণ্টা ত্বকে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না। ৭-১৪ দিনের ব্যবধানে এটি করা যেতে পারে। এই সময়ে এক্সফোলিয়েটর, পিল-অফ মাস্ক, ক্লে মাস্ক, ভিটামিন সি বা রেটিনল-এর মতো পণ্য ব্যবহার করবেন না। মূলত এই সময় ত্বকের কোনো যত্ন নেওয়া নয়, বরং লাইফস্টাইলের দিকে মন দিন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন, ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন এবং মৌসুমি শাকসবজি ও ফল খান। এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্বকের জন্য দ্বিগুণ উপকার করে।

স্কিন ফাস্টিং কোন ধরণের ত্বকের জন্য উপযোগী
প্রায় সব ধরনের ত্বকেই স্কিন ফাস্টিং করা যায়। তবে আমাদের পরিবেশ দূষিত হওয়ায় ত্বকের ক্ষতি বেশি হয়। তাই চাইলে হালকা ক্লিনজ়ার, ময়েশ্চারাইজ়ার এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বক বা ব্রণ, এগজিমা বা অতিসংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে অবশ্যই স্কিন ফাস্টিং করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরও পড়ুন:
গোসলের আগে যে প্যাক আপনার ত্বককে রাখবে সতেজ 
ব্রণের জেদি দাগ দূর করবেন যেভাবে 

এসএকেওয়াই/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow