স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ
বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৯৮ নম্বর পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ডিম খেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবশ্য সন্ধ্যা নাগাদ শিক্ষার্থীরা সুস্থ হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুন নুর বলেন, ‘আজ ৫৫ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খায়। এদের মধ্যে ১১ জন পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে। তাদের প্রথমে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।’ শরণখোলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনির আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে ডিমের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি-না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত করা হবে। তদন্তে ডিম সরবরাহে কোনো ত্রুটি বা অস্বাস্থ্যকর ডিম সরবরাহ হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘ওসাকা পাবনা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয় মুকতি নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সরব
বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৯৮ নম্বর পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ডিম খেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবশ্য সন্ধ্যা নাগাদ শিক্ষার্থীরা সুস্থ হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুন নুর বলেন, ‘আজ ৫৫ শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খায়। এদের মধ্যে ১১ জন পেটে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে। তাদের প্রথমে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।’
শরণখোলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনির আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে ডিমের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি-না, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত করা হবে। তদন্তে ডিম সরবরাহে কোনো ত্রুটি বা অস্বাস্থ্যকর ডিম সরবরাহ হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ‘ওসাকা পাবনা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয় মুকতি নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সরবরাহ করে। তবে তাদের কারও যোগাযোগের নম্বর স্কুল কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করতে পারেনি। ফলে এ ঘটনায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
নাহিদ ফরাজী/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?