স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের মারধরে স্বামীর মৃত্যু

রংপুরের পীরগাছায় স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনায় চাঁন মিয়া (৪২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাহফুজ আহমেদ মিথুনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের ছোট দিগটারী গ্রামের বাসিন্দা চাঁন মিয়ার সঙ্গে প্রায় ২০ বছর আগে মুক্তি বেগম ওরফে মুক্তার (৪০) বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। জীবিকার তাগিদে চাঁন মিয়া ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তার অনুপস্থিতিতে প্রতিবেশী মাহফুজ আহমেদ মিথুনের সঙ্গে মুক্তি বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে মুক্তি বেগম ও মিথুন পাশের একটি উপজেলায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এজাহারে আরও বলা হয়, শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত ৮টার দিকে ছোট দিগটারী গ্রামের মোজাম্মেল মিয়ার বাড়ির সামনে চাঁন মিয়ার সঙ্গে মিথুনের দেখা হয়। এ সময় মিথুন তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। এর প্রতিবাদ করলে মিথুন তাকে এলোপাতাড়

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের মারধরে স্বামীর মৃত্যু
রংপুরের পীরগাছায় স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মারধরের ঘটনায় চাঁন মিয়া (৪২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাহফুজ আহমেদ মিথুনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের ছোট দিগটারী গ্রামের বাসিন্দা চাঁন মিয়ার সঙ্গে প্রায় ২০ বছর আগে মুক্তি বেগম ওরফে মুক্তার (৪০) বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। জীবিকার তাগিদে চাঁন মিয়া ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তার অনুপস্থিতিতে প্রতিবেশী মাহফুজ আহমেদ মিথুনের সঙ্গে মুক্তি বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হলে মুক্তি বেগম ও মিথুন পাশের একটি উপজেলায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এজাহারে আরও বলা হয়, শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত ৮টার দিকে ছোট দিগটারী গ্রামের মোজাম্মেল মিয়ার বাড়ির সামনে চাঁন মিয়ার সঙ্গে মিথুনের দেখা হয়। এ সময় মিথুন তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। এর প্রতিবাদ করলে মিথুন তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন। চাঁন মিয়ার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মিথুন পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে সেখানে গেলে আবারও চাঁন মিয়ার ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এতে গুরুতর আহত চাঁন মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাহফুজ আহমেদ মিথুনকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাগনে আলম মিয়া বাদী হয়ে নিহতের স্ত্রী মুক্তি বেগম, মাহফুজ আহমেদ মিথুন এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম মণ্ডল বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow