স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যার দায়ে মো. শাহাদাৎ হোসেন নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১১ মে) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৯-এর বিচারক মাহমুদুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি আসামিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় কারাগার থেকে আসামি শাহাদাৎ হোসেনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামির স্ত্রীর সঙ্গে ভিকটিম আনিসের পরকীয়া ছিল। বিষয়টি আসামি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে ভিকটিম আনিসকে নিষেধ করেন। কিন্তু ভিকটিম আনিস আসামির কথা না শুনে তার স্ত্রীর সঙ্গে আবারও দেখা করতে থাকেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার তেজগাঁও থানাধীন আনোয়ারা পার্কের দক্ষিণ পার্শ্বে মা মেডিকেল স্টোরের বিপরীত দিকে ফুটপাতে ভিকটিমকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে ফেলে রাখেন। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. মাসুদ

স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে হত্যার দায়ে মো. শাহাদাৎ হোসেন নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৯-এর বিচারক মাহমুদুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। পাশাপাশি আসামিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার সময় কারাগার থেকে আসামি শাহাদাৎ হোসেনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবারও তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামির স্ত্রীর সঙ্গে ভিকটিম আনিসের পরকীয়া ছিল। বিষয়টি আসামি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে ভিকটিম আনিসকে নিষেধ করেন। কিন্তু ভিকটিম আনিস আসামির কথা না শুনে তার স্ত্রীর সঙ্গে আবারও দেখা করতে থাকেন।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১২ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকার তেজগাঁও থানাধীন আনোয়ারা পার্কের দক্ষিণ পার্শ্বে মা মেডিকেল স্টোরের বিপরীত দিকে ফুটপাতে ভিকটিমকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে ফেলে রাখেন। ওই ঘটনায় তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক মো. মাসুদুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলাটি করেন।
বিচারকালে আসামি ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক কাজী সাহান হক আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

একই বছরের ২৭ মে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটি বিচারকালে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow