স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা

১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচটি ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাছে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে। খেলোয়াড়দের সমর্থন ও উৎসাহ দিতে মাঠে উপস্থতি স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রানি লেতিজিয়া, ক্রাউন প্রিন্সেস লিওনর এবং ইনফান্টা সোফিয়া। লামিন ইয়ামালদের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে চেয়েছিলেন স্পেনের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য জোয়ান ক্যাপদেভিলা। তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ অনুমতি (ট্রাভেল পারমিট) না পাওয়ায় তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। ৪৮ বছর বয়সী ক্যাপদেভিলা সেই স্প্যানিশ দলের সদস্য ছিলেন, যারা ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। সাবেক এই ফুটবলার সতীর্থদের সাথে পুনরায় মিলিত হওয়ার এবং র স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি দেখার আশা করছিলেন। ভিসা ছাড়া ৯০দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে চান, তাদের দেশটির ‘ইলেকট্রনিক সিস্

স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা
১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের দ্বারপ্রান্তে স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচটি ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাছে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে। খেলোয়াড়দের সমর্থন ও উৎসাহ দিতে মাঠে উপস্থতি স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রানি লেতিজিয়া, ক্রাউন প্রিন্সেস লিওনর এবং ইনফান্টা সোফিয়া। লামিন ইয়ামালদের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে চেয়েছিলেন স্পেনের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য জোয়ান ক্যাপদেভিলা। তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ অনুমতি (ট্রাভেল পারমিট) না পাওয়ায় তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। ৪৮ বছর বয়সী ক্যাপদেভিলা সেই স্প্যানিশ দলের সদস্য ছিলেন, যারা ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। সাবেক এই ফুটবলার সতীর্থদের সাথে পুনরায় মিলিত হওয়ার এবং র স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি দেখার আশা করছিলেন। ভিসা ছাড়া ৯০দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে চান, তাদের দেশটির ‘ইলেকট্রনিক সিস্টেম ফর ট্রাভেল অথোরাইজেশন’-এর কাছে আবেদন করতে হয়। ক্যাপদেভিলার দাবি, তার সেই আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এক্সে দেওয়া পোস্টে সাবেক এই ফুটবলার বলেন, আমার সাহায্য প্রয়োজন। তিনি লেখেন, আমাকে জানানো হয়েছে, আমার ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তাই আমি আমার সন্তানদের নিয়ে ফাইনাল ম্যাচ দেখতে যেতে পারছি না। ভিয়ারিয়াল ও দেপোর্তিভোর সাবেক এই ডিফেন্ডার আরও বলেন, কেউ কি আমাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারবেন? ২০১০ সালের সেই দলের সতীর্থ এবং বর্তমান দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিতে সেখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমি কতটা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম, তা আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী দলের এই সদস্য আরও বলেন, আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না, যে তারা আমাকে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দিচ্ছে না। ফুটবলপ্রেমী আমার সন্তানদের সঙ্গে এমন একটি মুহূর্ত উপভোগ করার সুযোগ আমি হারাতে যাচ্ছি।কেউ যদি জানেন কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব, তবে আমি তার কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। ক্যাপদেভিলা তার এই সমস্যার সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র কাছেও সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। নিজের পোস্টে স্পেনের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অ্যাকাউন্টটি ট্যাগ করেছেন। স্প্যানিশ রেডিও স্টেশন ‘কোপ’ -কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্যাপদেভিলা বলেছেন, তার ধারণা ২০১৬ সালে ইরানে একটি ম্যাচ খেলার কারণেই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ২০০৮ সালের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী এই ফুটবলার ‘লা লিগা লিজেন্ডস’-এর সেই দলের সদস্য ছিলেন, যারা তেহরানে ইরানের ‘অল-স্টার’ দলের বিপক্ষে একটি ম্যাচ খেলেছিল। বিশ্বকাপের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়া হাই-প্রোফাইল বা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকায় ক্যাপদেভিলাই প্রথম নন; এর আগে সোমালি রেফারি ওমর আরতানকেও গত মাসে দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় টুর্নামেন্ট পরিচালনার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow