স্পেনের হয়ে ‘গ্যালারি মাতানো’ কে এই শিশু?

স্পেনের তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এবার আলোচনায় উঠে এসেছে তার তিন বছর বয়সী সৎ ভাই কেইনে। বিশ্বকাপে গ্যালারি থেকে বড় ভাইকে উৎসাহ দেওয়ার আবেগঘন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ছোট্ট এই শিশুর ভিডিও। লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে স্পেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল এবং অপর গোলটি করেন পেদ্রো পোরো। যদিও এ ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল, তবুও পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণভাগে ছিলেন দারুণ সক্রিয়। ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে ওইয়ারসাবাল স্পেনের তৃতীয় গোলটি করার পর গ্যালারিতে থাকা কেইনের উচ্ছ্বাস টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। স্পেনের জার্সি গায়ে ছোট্ট কেইন আনন্দে লাফিয়ে ওঠে, দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে আকাশের দিকে তুলে চিৎকার করে উদযাপন করতে দেখা যায় তাকে। মুহূর্তটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নেয়। ম্যাচ শেষে ইয়ামাল জানান, গ্যালারিতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি তাকে আলাদা অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

স্পেনের হয়ে ‘গ্যালারি মাতানো’ কে এই শিশু?
স্পেনের তারকা ফুটবলার লামিনে ইয়ামালের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি এবার আলোচনায় উঠে এসেছে তার তিন বছর বয়সী সৎ ভাই কেইনে। বিশ্বকাপে গ্যালারি থেকে বড় ভাইকে উৎসাহ দেওয়ার আবেগঘন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ছোট্ট এই শিশুর ভিডিও। লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে স্পেন। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল এবং অপর গোলটি করেন পেদ্রো পোরো। যদিও এ ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল, তবুও পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণভাগে ছিলেন দারুণ সক্রিয়। ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে ওইয়ারসাবাল স্পেনের তৃতীয় গোলটি করার পর গ্যালারিতে থাকা কেইনের উচ্ছ্বাস টেলিভিশনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। স্পেনের জার্সি গায়ে ছোট্ট কেইন আনন্দে লাফিয়ে ওঠে, দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে আকাশের দিকে তুলে চিৎকার করে উদযাপন করতে দেখা যায় তাকে। মুহূর্তটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নেয়। ম্যাচ শেষে ইয়ামাল জানান, গ্যালারিতে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি তাকে আলাদা অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। বিশেষ করে ছোট ভাইকে আনন্দে দেখতে পাওয়াটা তার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, ‘আমার ভাইকে খুশি দেখতে, আমার মাকে তার স্বপ্নের জীবন উপভোগ করতে এবং আমার বন্ধুদের আনন্দিত দেখতে আমার খুব ভালো লাগে। একজন শিশুর জন্য এর চেয়ে বড় স্বপ্ন আর হতে পারে না। ফুটবলের বাইরেও এটাই আমার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান।’ ছোট ভাইয়ের প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসার কথাও তুলে ধরেন স্পেনের এই তরুণ তারকা। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ভাইকে ভীষণ ভালোবাসি।’ ইয়ামালের মতে, ফুটবলার হিসেবে যতই পরিচিতি বাড়ুক, পরিবারই তাকে সবসময় বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত রাখে। তিনি বলেন, ‘ফুটবল খেলা এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো—যারা এখনো আমাকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবেই দেখে—এসবই সবচেয়ে বেশি উপভোগ করি। একজন ফুটবলারের ক্যারিয়ার খুবই ছোট। ১৮ বছর বয়সে আমি যে বিশ্বকাপ খেলছি, এই মুহূর্ত আর কখনো ফিরে আসবে না।’ বার্সেলোনার হয়ে একের পর এক রেকর্ড গড়ার পর এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলছেন ইয়ামাল। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হয় তার। এরপর সৌদি আরবের বিপক্ষে করেন নিজের প্রথম বিশ্বকাপ গোল। কেইন অবশ্য এবারই প্রথম আলোচনায় আসেনি। এর আগেও বড় ভাইয়ের সঙ্গে ফুটবল খেলা, খেলনা মার্সিডিজ-বেঞ্জ জি-ওয়াগন চালানো এবং ২০২৪ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে ইয়ামালের সঙ্গে লালগালিচায় হাঁটার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। স্পেনের ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সময়ও গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে বড় ভাইকে সমর্থন জানিয়েছিল সে। কেইনের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশের পর ভক্তদের প্রশংসায় ভরে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। একজন লিখেছেন, ‘সে তার ভাইয়ের সবচেয়ে বড় সমর্থক।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘ছোট্ট ছেলেটা যেভাবে খেলাটা উপভোগ করছে, তা সত্যিই দারুণ।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘উদযাপনের সময় তার আবেগ আর উচ্ছ্বাস ছিল অসাধারণ।’ শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর এখন কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে স্পেন। ইয়ামালও আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে জানিয়েছেন, তার লক্ষ্য শুধু পরের রাউন্ডে ওঠাই নয়, স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাও।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow