স্প্রিঙ্গারের হ্যাটট্রিকে ধবলধোলাই এড়ালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সিরিজ হার আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। তাই তৃতীয় ও শেষ টি–টোয়েন্টি ম্যাচটি ধবলধোলাই এড়ানোর। সেই ম্যাচে শামার স্প্রিংয়ের হ্যাটট্রিকে আফগানিস্তানকে ১৫ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় আফগানিস্তান। আগে ব্যাটিং করতে নেমে ১৫১ রানের দলীয় সংগ্রহ দাঁড় করায় উইন্ডিজ। ক্যারিবিয়দের হয়ে ব্র্যান্ডন কিং সর্বোচ্চ ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ম্যাথু ফোর্ড ১১ বলে ২৭ ও শামার স্প্রিঙ্গারের ৯ বলে ১৬ রানের দুই ক্যামিওতে এই সংগ্রহ পায় দলটি। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভালো অবস্থানে থাকার পরও ৮ উইকেটে ১৩৬ রানেই থেমে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস। ফলে পরাজিত হতে হয় ১৫ রানে। সিরিজ জিতলেও এই হারটা হতাশাজনকই আফগানদের জন্য। কেননা ৭২ রানের উদ্বোধনী জুটির পরও হেরেছে তারা। ওপেনিংয়ে নামা রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৪৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। ১৪ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৯৪ রান নিয়ে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল আফগানিস্তনের কাছেই। তখন কেবল আউট হন ২৮ রান করে ইব্রাহিম জাদরান। আফগানদের এমন শক্ত অবস্থান থেকেও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন স্প্রিঙ্গার। প্রথমে ফেরান সেদিকুল্লাহ আতালকে। পরের বলেই এক নাটক

স্প্রিঙ্গারের হ্যাটট্রিকে ধবলধোলাই এড়ালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সিরিজ হার আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। তাই তৃতীয় ও শেষ টি–টোয়েন্টি ম্যাচটি ধবলধোলাই এড়ানোর। সেই ম্যাচে শামার স্প্রিংয়ের হ্যাটট্রিকে আফগানিস্তানকে ১৫ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় আফগানিস্তান। আগে ব্যাটিং করতে নেমে ১৫১ রানের দলীয় সংগ্রহ দাঁড় করায় উইন্ডিজ।

ক্যারিবিয়দের হয়ে ব্র্যান্ডন কিং সর্বোচ্চ ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ম্যাথু ফোর্ড ১১ বলে ২৭ ও শামার স্প্রিঙ্গারের ৯ বলে ১৬ রানের দুই ক্যামিওতে এই সংগ্রহ পায় দলটি।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ভালো অবস্থানে থাকার পরও ৮ উইকেটে ১৩৬ রানেই থেমে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস। ফলে পরাজিত হতে হয় ১৫ রানে। সিরিজ জিতলেও এই হারটা হতাশাজনকই আফগানদের জন্য। কেননা ৭২ রানের উদ্বোধনী জুটির পরও হেরেছে তারা।

ওপেনিংয়ে নামা রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৪৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। ১৪ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৯৪ রান নিয়ে ম্যাচের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল আফগানিস্তনের কাছেই। তখন কেবল আউট হন ২৮ রান করে ইব্রাহিম জাদরান।

আফগানদের এমন শক্ত অবস্থান থেকেও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন স্প্রিঙ্গার। প্রথমে ফেরান সেদিকুল্লাহ আতালকে। পরের বলেই এক নাটকীয় ঘটনায় গুরবাজ মুখে আঘাত পান। সিঙ্গেল নেওয়ার সময় বাউন্স করা থ্রো হেলমেট ছিটকে দিলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন গুরবাজ। কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর আবার ব্যাটিংয়ে ফেরেন।

গুরবাজ ফিরলেও আফগানিস্তানের বিপর্যয় ঠেকানো যায়নি। পরের ওভারেই আউট হন দারউইশ রাসুলি। তার পরের ওভারে বিদায় নেন মোহাম্মদ নবিও। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৫ রান। আর সেটিই হতে দেননি স্প্রিঙ্গার।

হ্যাটট্রিক করে শেষ করে দেন আফগানদের সম্বভাবনা। গুরবাজ, রশিদ খান ও শহিদুল্লাহ কামালকে ফেরান তিনি। সিরিজে এটি ছিল দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এর আগে একটি করেছিলেন মুজিব উর রহমান।

শেষ ওভারে ২০ রান প্রয়োজন থাকলেও গুলবাদিন নাইব দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রানআউট হলে নিশ্চিত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৫ রানের জয়।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow