‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব’ আলোচনার বিষয় নয়: কিউবার প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় সব বিষয় উঠতে পারে, তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কখনোই আলোচনা হতে পারে না। এমনকি কিউবার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া হবে না। স্প্যানিশ গণমাধ্যম কেনেল রেড-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগ, অভিবাসন, মাদক পাচার, সন্ত্রাসবাদ দমন, পরিবেশ সুরক্ষা, বিজ্ঞান ও শিক্ষা—এসব বিষয় আলোচনায় থাকতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা সবকিছু নিয়ে আলোচনা করতে পারি, কিন্তু আমাদের সার্বভৌমত্ব অবশ্যই সম্মান করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা কখনো আলোচনার বিষয় নয়।’ সংলাপের আহ্বানের সঙ্গে হুঁশিয়ারিও ডিয়াজ-কানেল বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ থাকা উচিত।’ তিনি যুদ্ধ এড়ানোর ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা সংলাপ চাই। তবে যদি আমাদের ওপর সামরিক হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহলে আমরা বিপ্লবের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত।’ জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে উদ্যোগ কিউবা অভ্যন্তরীণ জ্বালা

‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব’ আলোচনার বিষয় নয়: কিউবার প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় সব বিষয় উঠতে পারে, তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে কখনোই আলোচনা হতে পারে না। এমনকি কিউবার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে কখনোই প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া হবে না।

স্প্যানিশ গণমাধ্যম কেনেল রেড-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগ, অভিবাসন, মাদক পাচার, সন্ত্রাসবাদ দমন, পরিবেশ সুরক্ষা, বিজ্ঞান ও শিক্ষা—এসব বিষয় আলোচনায় থাকতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবকিছু নিয়ে আলোচনা করতে পারি, কিন্তু আমাদের সার্বভৌমত্ব অবশ্যই সম্মান করতে হবে। আমাদের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা কখনো আলোচনার বিষয় নয়।’

সংলাপের আহ্বানের সঙ্গে হুঁশিয়ারিও

ডিয়াজ-কানেল বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং এতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ থাকা উচিত।’

তিনি যুদ্ধ এড়ানোর ওপর জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা সংলাপ চাই। তবে যদি আমাদের ওপর সামরিক হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহলে আমরা বিপ্লবের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত।’

জ্বালানি নির্ভরতা কমাতে উদ্যোগ

কিউবা অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বাইরের দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে কাজ করছে বলেও জানান প্রেসিডেন্ট।

তেলের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩০ জানুয়ারি একটি নির্বাহী আদেশে কিউবাকে তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেন। হোয়াইট হাউসের দাবি, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির স্বার্থ রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। পহেলা ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প কিউবার সঙ্গে তেল সরবরাহ নিয়ে আলোচনা শুরুর কথা বললেও, কিউবা তা অস্বীকার করেছে।

বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় কিউবা সরকার জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow