স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক জিয়াউর রহমান, দ্বিতীয়বার শেখ মুজিবের পক্ষে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে প্রথমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরে দ্বিতীয়বার শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ স্মৃতিসৌধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চ রাতে রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আরও কিছুদিন বিলম্বিত হতে পারত। ওই হামলার পরপরই চট্টগ্রাম থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার তা তৎকালীন জাতীয় নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে ঘোষণা করা হয় এবং এটাই প্রকৃত ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার সূচনাপর্ব রাজারবাগের ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। পাশাপাশি পুলিশ সংস্কারে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় ও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিকে আইনের আওতায় আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে প্রথমে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরে দ্বিতীয়বার শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ স্মৃতিসৌধে শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২৫ মার্চ রাতে রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আরও কিছুদিন বিলম্বিত হতে পারত। ওই হামলার পরপরই চট্টগ্রাম থেকে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার তা তৎকালীন জাতীয় নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে ঘোষণা করা হয় এবং এটাই প্রকৃত ইতিহাস।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার সূচনাপর্ব রাজারবাগের ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। পাশাপাশি পুলিশ সংস্কারে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় ও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিকে আইনের আওতায় আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের কাছে অনুরোধ পাঠানো হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অভিযুক্তকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।